Banner Advertise

Wednesday, February 27, 2013

[chottala.com] Re: [KHABOR] Koko Kahini : ওয়ারিদ থেকে কোকোর নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত আসছে - সিঙ্গাপুরের আদালতের রায়

I was like everyone else very mad about Koko's bribe and subsequently awarding license to Warid for 50 crore or 50 Million US$ by BTRC. The BTRC could charge a lot more for the License. But I was even more mad when current administration gave two free licenses to two Indian companies Robi and Airtel. Yes, no license fees for Robi and Airtel, even though Warid paid some to Bangladesh government.

From: SyedAslam <Syed.Aslam3@gmail.com>
To: Khobor <khabor@yahoogroups.com>; notun Bangladesh <notun_bangladesh@yahoogroups.com>; chottala@yahoogroups.com
Sent: Tuesday, February 26, 2013 7:57 PM
Subject: [KHABOR] Koko Kahini : ওয়ারিদ থেকে কোকোর নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত আসছে - সিঙ্গাপুরের আদালতের রায়
 

সিঙ্গাপুরের আদালতের রায়


ওয়ারিদ থেকে কোকোর নেওয়া ঘুষের টাকা ফেরত আসছে

নিজস্ব প্রতিবেদক | তারিখ: ২৭-০২-২০১৩
আরাফাত রহমান কোকো
আরাফাত রহমান কোকো
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর সিঙ্গাপুরে থাকা ঘুষের আট কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারকে ফেরত দিতে আদেশ দিয়েছেন সে দেশের আদালত।
মা খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ওয়ারিদ টেলিকমকে লাইসেন্স দেওয়ার বিনিময়ে এ অর্থ ঘুষ নিয়েছিলেন কোকো। গতকাল মঙ্গলবার রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সিঙ্গাপুর থেকে ফিরে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে অপেক্ষারত সাংবাদিকদের সিঙ্গাপুর আদালতের রায়ের তথ্য জানান। ওয়ারিদ থেকে কোকো আট কোটি টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি। 
এর আগে গতকাল দুপুর ১২টার দিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কোকোর ঘুষের অর্থ পুনরুদ্ধারে সিঙ্গাপুরের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। ওই আবেদনের শুনানি শেষে সে দেশের অধস্তন আদালত কোকোর ঘুষের অর্থ বাংলাদেশকে ফেরত পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত ২১ নভেম্বর কোকোর সিঙ্গাপুরের একটি ব্যাংক হিসাব থেকে ১৩ কোটি ৪৪ লাখ ৮২ হাজার ১৩১ টাকা ফেরত আনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেই টাকা জমা হয়েছে সোনালী ব্যাংকের রমনা করপোরেট শাখায়। গত ৩ জানুয়ারি কোকোর সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব থেকে আরও প্রায় ১৫ লাখ টাকা ফেরত আনে দুদক। এই অর্থ ওই ব্যাংক হিসাব থেকে এর আগে ফেরত আনা ১৩ কোটি টাকার সুদ হিসাবে জমা হওয়া টাকা বলে জানিয়েছে দুদক। 
প্রসঙ্গত, বহুজাতিক কোম্পানি সিমেন্স, চায়না হারবারসহ তিনটি উৎস থেকে কোকো প্রায় ২৫ কোটি টাকা ঘুষ নেন।
ওয়ারিদের ঘুষ: যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) তদন্তে এবং সিঙ্গাপুরের আদালতে সে দেশের নাগরিক লিম সিউ চ্যাংয়ের দেওয়া জবানবন্দি অনুযায়ী, লিম ২০০৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর কোকোর জন্য ফেয়ারহিল কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি খোলেন। ওই নামে সিঙ্গাপুরের ইউনাইটেড ওভারসিজ ব্যাংকে মার্কিন ডলার হিসাব খোলা হয়। ওই হিসাবে দুবাই থেকে ২০০৬ সালের ১৭ জানুয়ারি এক লাখ ৪৯ হাজার ৯৮৮ দশমিক ৮৮ মার্কিন ডলার, ১৯ জানুয়ারি এক লাখ নয় হাজার ৯৮৮ দশমিক ৮৫ মার্কিন ডলার, ২৪ জানুয়ারি এক লাখ ৩৯ হাজার ৪৯৩ দশমিক ৮১ মার্কিন ডলার ও ২৫ জানুয়ারি ৯৯ হাজার ৯৯৩ দশমিক ৮২ মার্কিন ডলার জমা করেন। এসব অর্থ আমেরিকান এক্সপ্রেস লিমিটেডের মাধ্যমে নিউইয়র্ক থেকে দুবাই হয়ে ওয়ার ট্রান্সফারের মাধ্যমে কোকোর হিসাবে জমা হয়। জনৈক মো. হাবিবুর রহমান দুবাইয়ের জনতা ব্যাংক শাখা থেকে কোকোর হিসাবে তা জমা দিয়েছেন বলে তদন্তে জানা যায়।
অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, এফবিআইয়ের তদন্ত অনুসারে, কোকো লিমের সঙ্গে দুটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের হিসাব খোলেন সিঙ্গাপুরে—জ্যাজ ট্রেডিং অ্যান্ড কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড ও ফেয়ারহিল কনসালটিং প্রাইভেট লিমিটেড নামে। ওয়ারিদ টেলিকমের পক্ষে হাবিবুর রহমান দুবাইয়ের একটি হিসাব থেকে ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে এ অর্থ কোকোর ফেয়ারহিল কোম্পানির হিসাবে পাঠান। মোট টাকার পরিমাণ প্রায় নয় লাখ মার্কিন ডলার বা প্রায় আট কোটি টাকা। এ অর্থ কোকোর পার্টনার লিম তাঁর নিজস্ব অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে। কিন্তু বাংলাদেশে এ বিষয়ে মামলা হওয়ায় সেই অর্থ সিঙ্গাপুরের আদালতের নির্দেশে জব্দ করা হয়। 
রাজনৈতিক হয়রানি করতে কোকোর বিরুদ্ধে এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে—বিএনপির এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই ঘুষ লেনদেনের সঙ্গে বর্তমান রাজনীতির সম্পর্ক নেই।
খালেদা জিয়া এখন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন। এর সঙ্গে কোকোর এ মামলার কোনো সম্পর্ক আছে কি না, একজন সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহবুবে আলম বলেন, 'সাধারণ মানুষের মতো আমার মনেও একই প্রশ্ন। তবে আমি কোনো উত্তর জানি না। আমি আইনজীবী, গোয়েন্দা নই।'
আদালত সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় থাকার সময় সিমেন্সকে বাংলাদেশে কাজ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়েও ঘুষ নেন কোকো। ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ রাজধানীর কাফরুল থানায় কোকো এবং প্রয়াত নৌপরিবহনমন্ত্রী আকবর হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন সায়মনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করে দুদক। ওই মামলায় ২০১১ সালের ২৩ জুন কোকো ও সায়মনকে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সিঙ্গাপুর থেকে ফেরত আনা কোকোর সব অর্থ দুর্নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে ব্যয় করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে দুদক।
http://prothom-alo.com/detail/date/2013-02-27/news/332376

More Coco money on way
Senior Correspondent,  bdnews24.com
Published: 2013-02-26 04:20:34.0 Updated: 2013-02-26 09:08:24.0


Also read:
It may be mentioned here, a payment of bribe received  by Mr. Arafat Rahman Koko
 from Siemens A. G (a Multinational company head quartered in Germany)  to the tune of the
11.66 crore taka now frozen by the Singapore government by the order of US Federal court in

 
Koko Kahini:
Uttora Conspricy:
'Secret' meet of admin big wigs at ex-energy adviser's office"
 
Koko's corruption on FBI website: