Banner Advertise

Saturday, November 22, 2014

[chottala.com] Fw: Our Hope , Our Leader !!!!





On Saturday, November 22, 2014 9:34 AM, Muhammad Ali <manik195709@yahoo.com> wrote:


Future Leader , Our Hope .
"সারাদেশে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সারাদেশের ১১ হাজার তরুণ-তরুণী কাজ করছে। ক্ষেত্র বিশেষে তারা মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকাও আয় করছে। এটা সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে।"- 'ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা সম্মেলন'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়।
"সারাদেশে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়নে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে সারাদেশের ১১ হাজার তরুণ-তরুণী কাজ করছে। ক্ষেত্র বিশেষে তারা মাসে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকাও আয় করছে। এটা সম্ভব হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের কারণে।"
- 'ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তা সম্মেলন'-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয়।





__._,_.___

Posted by: Muhammad Ali <manik195709@yahoo.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

Tuesday, November 18, 2014

[chottala.com] Moeen U wanted to commit suicide?



Moeen U wanted to commit suicide?
Moeen U, a national traitor, has the blood of 57 army officers in his hands. The wrath of the patriots will haunt him as long as he lives. He handed the control of the country to India, in exchange for 6 horses, for which he paid 6 cr taka of govt money! He threw out a hundred-thousand poorest shanty dwellers from their shelters to face starvation on the streets and under the trees. He drove away hundreds of thousands of peddlers from the places of their businesses to face starvation with their families. He destroyed thousands of shops and markets and ruined the economy and destroyed the livelihoods of hundreds of thousands of people. He interned, tortured, oppressed and repressed hundreds of thousands of people and ran a regime of reckless corruption and extortion. 
 
He approached politics with the infamous minus 2 plan, but failed in it, because of Khaleda's determination and iron will, even when her two sons were tortured to disability, one in the back and the other in the chest. He then steamrolled and divided the BNP under the instructions from RAW. He rigged the 2008 election by ballot box stuffing, with pre-determined results. He sold national interest and surrendered sovereignty to India. A reincarnation of Mir Jafar, Moeen U will be treated like Mir Jafar by the patriots.     
 
(Please click to read the Amar Desh report, 19 November 2014)
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2014/11/19/261122#.VGvHkDSsVpo
The report is as follows: 
আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন জেনারেল মইন
ডেস্ক রিপোর্ট
আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন জেনারেল মইন উ আহমেদ। সেনাসদরে নিজের অফিস কক্ষেই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। এজন্য একটি 'সুইসাইড নোট'ও প্রস্তুত করেন ওয়ান-ইলেভেন জমানার দোর্দ-প্রতাপশালী এই সেনাপ্রধান। তাতে নিজের অসহায়ত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ক্ষমা চান সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ ও দেশবাসীর কাছে। ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি দুনিয়াজুড়ে বহুল আলোচিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের দুদিন পরই এমন সিদ্ধান্ত নেন।

রোমহর্ষক ওই ঘটনার পর শোক-বিক্ষুব্ধ সেনাকর্মকর্তাদের প্রচণ্ড চাপের মুখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় মইনের মাথায় এমন চিন্তা আসে। তবে শেষ পর্যন্ত নানা দিক চিন্তা করে তিনি ফিরে আসেন আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত থেকে।

সাম্প্রতিক সময়ে নিজের খুব ঘনিষ্ঠজনদের কাছে এমন কথা বলেছেন গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছানির্বাসনে থাকা সাবেক এই জেনারেল। সম্প্রতি আরেকটি বই লেখায় হাত দিয়েছেন তিনি। তার নতুন বইয়ের বিষয়বস্তু হলো বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পূর্বাপর।

কবে নাগাদ বইটি প্রকাশ করা হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে প্রতিদিনই একটু একটু করে লিখছেন তিনি। জেনারেল মইনের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নৃশংসতম বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর নিজের সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েন তিনি। ভয়াবহ সেই ঘটনায় সেনাবাহিনীর ৫৭ জন চৌকস কর্মকর্তা নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন।

ঘটনার দিন সকালেই বেশিরভাগ সিনিয়র সেনাকর্মকর্তা জেনারেল মইনের সঙ্গে যোগাযোগ করে পিলখানায় আটকে পড়া কর্মকর্তাগণ ও তাদের পরিবারের সদস্যদের উদ্ধারের জন্য দ্রুত সেনা অভিযান পরিচালনার তাগিদ দেন। কিন্তু সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সায় নেই- এমন অজুহাতে তিনি সেনা অভিযান পরিচালনা থেকে বিরত থাকেন।

পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যাবেলায় যখন জানা গেল যে, পিলখানায় অবস্থানকারী কর্মকর্তাদের কেউই বেঁচে নেই, তখন বিপুল সংখ্যক বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে যান সেনাপ্রধানের বাসভবনে। সেখানে জেনারেল মইনের সামনে প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। মইন ছিলেন নির্বাক। এতে কর্মকর্তারা আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে তিনি সেনা অভিযান না চালানোর পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে কিছু একটা বলার চেষ্টা করতেই কয়েকজন কর্মকর্তা মারমুখো হয়ে তেড়ে যান তার দিকে এবং তার জামার কলার টেনে ছিঁড়ে ফেলেন।

নিদারুণ অপরাধবোধে ভুগতে থাকা এই সেনাপতি সেই রাতেই চিন্তা করেন আত্মহত্যার কথা। কিন্তু পরক্ষণে নানা দিক চিন্তা করে আবার সরে আসেন চরম সিদ্ধান্ত থেকে। এরপর তিনি উদ্যোগী হয়ে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আসেন সেনাকুঞ্জে। ক্ষোভের আগুনে জ্বলতে থাকা সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ক্ষোভ প্রশমনের উপায় হিসেবেই তিনি এ পদক্ষেপ নেন।

প্রসঙ্গত, সেনাপ্রধানের পদ থেকে অবসর গ্রহণের কিছুকাল পরেই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানো সাবেক এই সেনাপ্রধান আর দেশে ফিরে যাননি। বাংলাদেশে নিজের নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কার কথা জানিয়ে ইতোমধ্যেই এদেশে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

বর্তমানে বসবাস করছেন নিউ ইয়র্ক সিটির বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যামাইকা এলাকার ১৭৯ নম্বর স্ট্রিটের একটি বাড়ির বেজমেন্ট ফ্লোরে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকায় বসবাস করলেও স্থানীয় বাঙালিদের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ বা দেখা-সাক্ষাৎ নেই। বাড়ির বাইরেও খুব একটা বের হন না। খুব ঘনিষ্ঠজন ছাড়া অন্য কাউকেই তিনি সাক্ষাৎও দিচ্ছেন না। নিজে ব্যবহার করছেন না কোন মোবাইল ফোন। বিশেষ ঘনিষ্ঠজনরা জেনারেল মইনের স্ত্রীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে তারপর দেখা করছেন তার সঙ্গে।

সাম্প্রতিক সময়ে জেনারেল (অব.) মইন উ আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এমন একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, শারীরিকভাবে এখন অনেকটাই সুস্থ তিনি। স্বাস্থ্য খানিকটা ভেঙে গেলেও টানা চিকিৎসা গ্রহণের ফলে তিনি এখন ক্যান্সারমুক্ত। তবে অজ্ঞাত কারণে তিনি খুবই দৈন্যদশায় জীবনযাপন করছেন।

জ্যামাইকার যে ভাড়া বাসায় তিনি থাকেন, সেটি মূলত একটি তিন তলা বাড়ির বেজমেন্ট, যেখানে আছে ছোট্ট একটি বেডরুম ও একটি লিভিং রুম। রান্নাঘর এবং বাথরুমটিও নিতান্তই ছোট। স্ত্রী ছাড়া আর কেউই নেই তার সঙ্গে। ফ্লোরিডায় বসবাসরত ছোট ভাইয়ের কাছে মাঝেমধ্যে বেড়াতে গেলেও সরকারি খরচের চিকিৎসা-সুবিধা গ্রহণের জন্য নিউ ইয়র্কেই থাকতে হচ্ছে মইনকে।
ওয়াকিবহাল সূত্রগুলো জানায়, এককালের দাপুটে এই সেনাপ্রধান বর্তমানে এমন দুর্দশার জীবন কাটালেও ভাইদের বিত্ত-বৈভব তার কোনো কাজে আসছে না। প্রথম দিকে তারা কমবেশি কিছু চিকিৎসা খরচ দিলেও আজকাল আর তেমন খবর নিচ্ছেন না। ওয়ান-ইলেভেন যুগের সতীর্থদের মধ্যে একমাত্র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমেদ মাঝেমধ্যে টেলিফোনে খোঁজখবর নেন মইনের। তিনিও স্বেচ্ছা নির্বাসনে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে।

ওয়ান-ইলেভেন জমানার আরেক আলোচিত সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল চৌধুরী ফজলুল বারীও আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি বসবাস করছেন টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস সিটিতে। তবে তার সঙ্গে জেনারেল মইন বা ফখরুদ্দীন আহমেদের কোনো যোগাযোগ নেই।
 
সূত্র: মানবজমিন
 
 
 
 
 


__._,_.___

Posted by: Zoglul Husain <zoglul@hotmail.co.uk>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

[chottala.com] Embassy of Bangladesh__Victory Day celebration__21 December 2014 [2 Attachments]

[Attachment(s) from Nirupam Dev Nath nirupam_bd@yahoo.com [chottala] included below]

The Ambassador of  Bangladesh to the USA
H.E. Mr. Mohammad Ziauddin
cordially invites you to a cultural program
as part of the celebration of
Victory Day, 2014

on  Sunday 21 December 2014 at 5:00  p.m.
at the Bangabandhu Auditorium, Embassy of Bangladesh
 3510 International Drive, NW,
Washington DC 20008
    
The Program is enclosed
( Dinner will be served)

Notes 

1. Please RSVP at priyanthik66@gmail.com
2. There will be security screening at the Embassy entrance
 

 
Best Regards

Nirupam Dev Nath
Counsellor ( Political & Cultural)
Embassy of Bangladesh   
3510 International Drive, NW
Washington DC 20008, USA
Phone: ( 202) 244-3658


__._,_.___

Attachment(s) from Nirupam Dev Nath nirupam_bd@yahoo.com [chottala] | View attachments on the web

2 of 2 File(s)


Posted by: Nirupam Dev Nath <nirupam_bd@yahoo.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

Monday, November 17, 2014

[chottala.com] ৭ ই ফেব্রুয়ারী ফ্রেণ্ডস এন্ড ফ্যামিলীর পিঠা উৎসব, সবাই আমন্ত্রিত ।



 


__._,_.___

Posted by: Abu Rumi <abu_rumi@hotmail.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

Sunday, November 16, 2014

[chottala.com] Spirit of Liberation and Sharmin Ahmad's speech at the Progressive Forum‏/ মুক্তিযুদ্ধের গণতান্ত্রিক চেতনা এবং নিউইয়র্কের সভায় আমার বক্তব্য - শারমিন আহমদ



 

            মুক্তিযুদ্ধের গণতান্ত্রিক চেতনা এবং নিউইয়র্কের সভায় আমার বক্তব্য 

                                     শারমিন আহমদ  

সম্প্রতি ৮ নভেম্বর, ২০১৪ নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত প্রোগ্রেসিভ ফোরামের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে আমি যে কথাগুলি বলেছিলাম তা প্রায় সকল সংবাদ মাধ্যমে খণ্ডিত ও কোন কোন মাধ্যমে বিকৃত  ভাবে উপস্থাপিত  হওয়ায় এই লেখার অবতারনা। জেল হত্যাকাণ্ডর বিবরনে আমি উল্লেখ করেছিলাম যে ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, মনসুর আলী ও কামরুজ্জামানকে জেলে হত্যা একই ধারাবাহিকতায় এবং মুক্তিযুদ্ধর চেতনাকে বিনষ্ট করার জন্য সুপরিকল্পিত ভাবে সংঘটিত হয়। খন্দকার মোশ্তাক আহমেদ অবৈধ ভাবে ক্ষমতা দখল করে অর্ডিন্যান্স জারী করে যে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার করা যাবেনা। জেনারেল জিয়াউর রহমান মোশ্তাককে অপসারন করে প্রেসিডেন্ট হবার পর ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সেই অবৈধ অর্ডিন্যান্সকে বৈধতা দিয়ে স্থায়ী করে নেন। এর ফলে বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৭ সালে আমি যখন বাংলাদেশে জেল হত্যার উপর তথ্য যোগাড় করছি তখন এরশাদ সরকারের আমলে হত্যাকারীদের দুজন ফারুক ও রশীদ দেশে ফিরে রাজনৈতিক দল গঠন করার অনুমতি লাভ করে। তাই জেল হত্যা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও সাক্ষাৎকার গ্রহন সে সময় সহজ ব্যাপার ছিলনা সে ১৯৮৭ সালে আমি  আওয়ামীলীগ  নেতা আব্দুস সামাদ আজাদজেল হত্যা তদন্ত কমিশনের সদস্য বিচারপতি কে এম সোবহান,মহসীন বুলবুল, ব্রিগেডিয়ার আমিনুল হক বীর  উত্তম প্রমুখের সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম। সংগৃহীত সব সাক্ষাৎকার ও তথ্যের ভিত্তিতে জেল হত্যা সম্পর্কে  রচনাটি খুব সম্ভবত ছিল ঐ বিষয়ে প্রথম গবেষণা ভিত্তিক প্রবন্ধ। ২০০৪ সালে বিএনপি  সরকারের আমলে তাহেরউদ্দিন ঠাকুর সহ জেল হত্যার  ষড়যন্ত্রের  সাথে জড়িত অভিযুক্ত বিএনপির রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বেকসুর খালাস পেয়ে যায়।      আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেই প্রথম বঙ্গবন্ধু ও জেল হত্যাকাণ্ডর বিচার শুরু হয়। আশ্চর্যের ব্যাপার যে অধিকাংশ মিডিয়ায় ফলাও করে জেল হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আমার বক্তব্যের যেসব খবর প্রচারিত হোল তার মধ্যে বিএনপির সময়ে বিচারের পথ রুদ্ধ করবার বিষয়টি একেবারেই অনুল্লেখিত। এতে করে মনে হতে পারে যে কোন বিশেষ কারনে বিএনপিকে আড়ালে রেখে আমি কথাগুলি  বলেছি কিন্তু তাতো নয় আমি শ্রোতাদের কাছে ওই নির্মম হত্যাকাণ্ডর  পরবর্তী  রাষ্ট্রপ্রধান ও দলের বিচারের পথ অবৈধভাবে রুদ্ধ করার ধারাবাহিক একটি চিত্রকে তথ্যর আলোকে তুলে ধরেছিলাম। কোন অজ্ঞাত কারনে মিডিয়ায় তা খণ্ডিত ভাবে প্রচারিত হয়। কোন কোন পত্রিকায় " আমি বঙ্গবন্ধুকে মানুষ হিসেবে দেখতে চাই দেবতা নয়" আমার বক্তব্যরুপে প্রকাশিত হয়েছে। আমি একথা বলিনি আমি বলেছিলাম " আমরা খুব এককেন্দ্রিক হয়ে গেছি। আমরা মানুষকে দেবতার পর্যায়ে তুলে দিয়েছি। এটার ফল হচ্ছে কি? আমি কিন্তু মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখতে আগ্রহী। কারন তার মনুশত্যের বিচারে, তার দোষ ত্রুটি নিয়েও সে যখন মহাকাশটা ছুঁতে যায় তখুনি সে পরিনত হয়, ফেরেশতা নয়, দেবতা নয় মহা মানবে।"  টিভি  নিউজে সম্প্রচারিত  আমার বক্তব্যের ভিডিও লিংকটি তুলে ধরা হোল।           https://www.youtube.com/watch?v=6xmkJMMnMAc&feature=youtu.be 

আমাদের বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে দল মতের উরধে উঠে যুক্তিনিষ্ঠ ভাবে মুক্ত আলোচনা চর্চার ক্ষেত্রটি অতি দুর্বল হওয়ায় যে কোন আলোচনাকেই খণ্ডিত ও অতিরঞ্জিত করে কোন বিশেষ দলভুক্ত করার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।    

"তাজউদ্দীন আহমদ নেতা ও পিতা" গ্রন্থটি যার বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ, পাক-মারকিন এবং গনহত্তাকারী মৌলবাদী চক্রের বিরুদ্ধে তাজউদ্দীন আহমদের নিরন্তর সংগ্রামের  কথা, বঙ্গবন্ধু ও াজউদ্দীনের পরিপূরক সম্পর্ক, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার প্রেরনা ও তাজউদ্দীনের বাস্তবায়ক ভূমিকার কথা, সে বিষয় গুলো না পড়েই অনেকে আমার  বিরুদ্ধে অপপ্রচারে  লিপ্ত হয়।  বইটি যথাসম্ভব নির্মোহ ও যুক্তিতথ্যর ভিত্তিতে লেখা হলেও তার কোন কোন অংশ পছন্দ না হওয়ায়  মিথ্যা অপবাদ দেয়া হয়। মতের সাথে না মিললেই বা অপ্রিয় সত্য বললে তার বিপরীতে যুক্তিবুদ্ধির কোন অবতারনা না ঘটিয়ে মিথ্যা অপ্প্রচারনার ভয়াবহ  ধারা থেকে জাতীয় স্বার্থেই বেরিয়ে এসে সত্যের সাধনা ও মুক্ত চিন্তার চর্চা অব্যাহত রাখার কথা আমি বলেছিলাম। সমাজের দিক নির্দেশক বুদ্ধিজীবীরা যাদের এক বড় অংশ দলীয় হয়ে গিয়েছেন, তারা দলের উরধে  উঠে জাতি ও বিবেকের প্রতিনিধিত্ব করবেন, সে  আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছিলাম। আরও বলেছিলাম যে মুক্তিযুদ্ধের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধারন করে জাতীয় কল্যাণে দল মত নির্বিশেষে আমরা যেন রঙধনুর মত বৈচিত্র্যময় নানা রঙের সমাহারে একটি একতার সেতু গড়ে তুলতে পারি।   

আমাদের দেশে প্রকট রাজনৈতিক বিভাজনঅন্ধপক্ষপাতিত্বসত্যের অন্নেশার চাইতে  স্বার্থ ও সুবিধার দৃষ্টিকোন থেকে খণ্ডিত ভাবে ঐতিহাসিক বিষয়গুলিকে উপস্থাপন করার যে দুঃখজনক  রীতি দীর্ঘকাল ধরেই চালু  হয়েছে তার থেকে উত্তরনের জন্য নির্মোহ ভাবে বিশ্লেষণ, মুক্ত চিন্তা এবং  যুক্তিবুদ্ধির চর্চার বিকল্প নেই। সেই কাঙ্খিত, সুন্দর এবং সবল গণতান্ত্রিক চর্চার ক্ষেত্রে  সাংবাদিকরা বলিষ্ঠ  ভূমিকা রাখবেন এই প্রত্যাশা হতেই আজকের এই প্রত্যুত্তরটি বিশেষ করে দেয়া হল।   



__._,_.___

Posted by: Gonojagoron Moncho <projonmochottar@gmail.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___
Older Posts Home