Banner Advertise

Sunday, April 13, 2014

[chottala.com] ‘৪০ হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলব হারামজাদা’ -মুফতি হান্নান



'৪০ হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলব হারামজাদা'
বর্তমান প্রতিবেদক । ১৪ এপ্রিল ২০১৪
 বর্তমান প্রতিবেদক । ১৪ এপ্রিল ২০১৪
'চল্লিশ হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলব হারামজাদা পিপি। বড় পিপি হইছস। আমাদের লোকজন বাহিরে আছে। আমাদের সাজা হলে তোকে আমাদের লোকজন যেখানে পাবে সেখানেই হত্যা করবে। তোর প্রধানমন্ত্রী তোকে বাঁচাতে পারবে না।' গত ১৬ মার্চ রমনা বটমূলে বোমা হামলা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির এক পর্যায়ে মুফতি আবদুল হান্নান ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের এজলাসে বিচারকের সামনেই অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) জাহিদ সরদারের কলার চেপে ধরে এ হুমকি দেন। ওই দিন বিকালে পিপি জাহিদ সরদার কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিতে তিনি নিরাপত্তা চেয়ে উল্লেখ করেন, যে কোনো সময় জঙ্গিরা তাকে হত্যা করতে পারে। তার পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা করতে পারে। অথচ এখনও কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দেয়নি।

এ প্রসঙ্গে পিপি জাহিদ সরদার গতকাল দৈনিক বর্তমানকে বলেন, 'বিচারকের সামনে আমাকে এ হত্যার হুমকি দেয় মুফতি হান্নান। আমি তাকে বলেছি, জীবন মৃত্যুর হাত আল্লাহর হাতে। আল্লাহ যেদিন মরণ রাখবে সেদিন মৃত্যু হবে। তবে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চাই। আমি মুফতি হান্নানকে বলেছি, তুমি আসলে মুফতি না। সত্যিকারের মুফতি কখনও কোনো দিন কাউকে হত্যার হুমকি দিতে পারে না।'

পিপি জাহিদ বলেন, 'রমনা বটমূলে বোমা হামলার মামলার কার্যক্রম আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হতে পারে। রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ হয়েছে। আসামি পক্ষেরও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ পর্যায়ে। কেবলমাত্র মামলার দুটি মানচিত্র পরিদর্শন কার্যক্রম শেষ হলেই মামলার কার্যক্রম শেষ হতে পারে। আগামী ২২ এপ্রিল মামলার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। এদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার ফের সাক্ষ্যগ্রহণের বিরোধিতা করে আসামিপক্ষ হাইকোর্টে রিট মামলা করেছে। আসামিপক্ষ ২২ এপ্রিল হাইকোর্টের আদেশ দাখিল করতে ব্যর্থ হলে মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ ফের শুরু হবে।'

এদিকে মুফতি হান্নানের এই হুমকির পর গত ২৩ মার্চ নিজের নিরাপত্তার জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন অতিরিক্ত পিপি জাহিদ সরদার। গতকাল পর্যন্ত এই আবেদনের কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানান তিনি।

হাইকোর্টে আসামিপক্ষের রিট মামলা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম দৈনিক বর্তমানকে বলেন, 'যত দ্রুত সম্ভব হাইকোর্ট থেকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।' আসামি আকবর হোসেনের আইনজীবী জসীম উদ্দিন বর্তমানকে বলেন, 'মামলার যুক্তিতর্কের শুনানি শেষ পর্যায়ে। এ পর্যায়ে মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তার রিকলের সুযোগ দিলে আসামিপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যে কারণে আমরা হাইকোর্টে গিয়েছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপক্ষ এক আবেদনে উল্লেখ করেন, মামলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল 'বোমা হামলার পরিকল্পনা' শীর্ষক দুটি মানচিত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। এ বিষয়ে মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আবু হেনা ইউসুফের জবানবন্দিও জেরা করা হয়নি। মামলার প্রমাণের স্বার্থে এ নথিটি উপস্থাপন করা জরুরি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জাহিদ সরদার বলেন, গত ৮ এপ্রিল সকালে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমিনের বদলির আদেশ হয়। এ খবর পেয়ে আমি সেদিন পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আবারও অদৃশ্য কারণে ওইদিন বিকালে আরেক আদেশে পূর্বের বদলি আদেশ স্থগিত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও কোন অদৃশ্যহাত মামলার বিচারকাজ বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানান তিনি'

জাহিদ সরদার আরও বলেন, এর আগেও আসামিপক্ষ নানান কারণ দেখিয়ে মামলার বিচারকে বিলম্বিত করার চেষ্টা করেছে। তারা নানা অজুহাতে ১০ বার হাইকোর্টে গেছে। যুক্তিতর্কের নামে অহেতুক তাদের আইনজীবীরা আদালতকে বিভ্রান্তমূলক তথ্য দিয়েছে। এছাড়া গত ছয় বছরের মধ্যে দেড় বছর কোনো বিচারক ছিলেন না ওই আদালতে। বোমা হামলার পর বিগত বিএনপি- জামায়াত জোট সরকার তদন্তের নামে পরপর ছয়জন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়েছিল। এরপরও তদন্ত শেষ হয়নি তদন্ত কার্যক্রম। ওয়ান ইলেভেনের সরকারের শেষ সময় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে সিআইডি জাহিদ আরও বলেন, আসামিরা আমাকে একাধিকার প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। ঘুষের বিনিময়ে মৃত্যুদণ্ডের বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চাইতে বলেছিলেন তারা। ওরা ২০ কোটি টাকার ঘুষের অফার দিয়েছিল। আমি গ্রহণ করিনি। এমনকি আদালতের মধ্যে আসামি মুফতি হান্নান আমার কলার চেপে ধরে হত্যার হুমকি দেয়। রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা চেয়েও পাইনি। অথচ বিডিআর মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবীরা নিরাপত্তায় পুলিশ কনস্টেবল পেয়েছে। আমি কেন পাইনি তা জানি না।'

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবু হেনা ইউসুফ তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, '২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলের ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ নির্মাণে যেসব শ্রমিক ছিলেন তাদের পরিচয় উদ্ধার করতে পারিনি। বোমা হামলার সঙ্গে হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হা্ন্নান ও আরিফ হাসান সুমন জড়িত ছিলো।'

মামলার নথিপত্র সূত্রে জানা যায়, মাওলানা আকবর হোসেন ওরফে হেলাল উদ্দিন ২০০৬ সালের ১৪ জুন আদালতের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। আকবর আদালতকে বলেন,' আমি মাদানীনগর দারুল উলুম মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল ছিলাম। রমনা বটমূলে ঘটনার ৮/১০ দিন পূর্বে মোহাম্মদপুর রহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার সাত গম্বুজ মসজিদের সামনে এশার নামাযের পর আমি, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মুফতি আব্দুল হাই, মাওলানা আব্দুল হান্নান, মওলানা রউফ, আব্দুল জব্বারসহ পাঁচ-ছয়জন যাদের নাম জানি না। এক সভা করি। সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, ১ বৈশাখ রমনা বটমূলে বোমা হামলা করা হবে।'

অপরদিকে ২০০৬ সালের ১৯ নভেম্বর মামলার প্রধান আসামি মুফতি আবদুল হান্নান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, 'ঢাকা মহানগরীর দায়িত্বে নিয়োজিত হুজির রণাঙ্গনের শিল্পী গোষ্ঠীর হাফেজ আবু তাহের, ঢাকার মাওলানা শেখ ফরিদ ১ বৈশাখে রমনা বটমূলে গানের অনুষ্ঠান চালানো বন্ধ করার জন্য বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রস্তাব দেয়। শেখ ফরিদ, মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদ ও রহমানিয়া মাদ্রাসার মাঝামাঝি স্থানে মহানগর অফিসে আসে। মাওলানা রউফ ইয়াহিয়া, সাব্বির, জাহাঙ্গীর বদর, আবু তাহের ও আরো কয়েকজনের উপস্থিতিতে শেখ ফরিদের মাধ্যমে তাদেরকে ১ বৈশাখে বটমূলে গানের অনুষ্ঠানে বোমা বিস্ফোরণের জন্য ফের প্রস্তাব দেয়। বিষয়টির ওপর আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, দলের আমির মুফতি শফিকুর রহমানের অনুমতি ব্যতীত কিছুই করা ঠিক হবে না। যা করতে হয় তার অনুমতি লাগবে। পরে আমির সাহেব অনুমতি দেন। দায়িত্ব দেন সাব্বির, বদর, তাহের, হাসান, ওমর ফারুক ও আরো কয়েকজনকে নিয়ে রমনা বটমূলে বোমা হামলা চালানোর।

অপরদিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ আসামি আরিফ হাসান সুমন বিচারকের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সুমন আদালতকে বলেন, ' ২০০১ সালের ১ বৈশাখের আগের দিন মাওলানা তাজউদ্দিন আমাকে তার বাসায় ডেকে বোমা তুলে দেন। জনি, জুয়েল, সুজনসহ আমি বোমা সেট করে আসি। পরে সেখানে বোমা বিস্ফোরিত হয়। তাজউদ্দিন ওই ঘটনা কাউকে বলতে নিষেধ করেন। আমি কাউকে কিছুই বলিনি।

মামলার অন্যতম সাক্ষী বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ মো. শামসুল আলম আদালতকে বলেন, 'মামলার আলামত বিস্ফোরিত পাইপের অংশ, চিকন তার ও ছিন্ন ভিন্ন কাপড়ের টুকরা পরীক্ষা করে দেখা যায়, বিস্ফোরিত বোমাটি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সংবলিত ডিনামাইট ছিল।'

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন করা হয়, মামলার বাদীর এজহার, ৬১ জনের সাক্ষ্য, আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ও অভিযোগপত্র সমর্থন করে যে, প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। যে কারণে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক।

২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল এ ঘটনায় ১০ জন নিহত হন। আহত হন আরো অনেকে। ওই দিনই রমনা থানায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সার্জেন্ট অমল চন্দ্র চন্দ হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়, রমনা পার্কের রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলাকালে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সকাল ৮টার দিকে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমা বিস্ফোরিত হয়ে ১০ জন লোক নিহত হয়। আহত হন ২০ থেকে ২৫ জন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন, অসীম চন্দ সরকার, আবুল কালাম আজাদ, জসিম, একরাম, মামুন, রিয়াজ, ইসমাইল হোসেন, আফসার ও অজ্ঞাত আরও দুইজন।

সাতজন তদন্ত কর্মকর্তার হাত ঘুরে ঘুরে ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক আবু হেনা মো. ইউসুফ ১৪ জনকে আসামি করে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে আলাদা দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার ১৪ আসামির মধ্যে আরিফ হাসান সুমন, শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা আব্দুর রউফ, মাওলানা সাব্বির ওরফে মুফতি আব্দুল হান্নান সাব্বির, মাওলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া ও মাওলানা আকবর হোসাইন ওরফে হেলালউদ্দিন কারাগারে আছেন।

আর পলাতক আছেন আলহাজ মাওলানা মোহাম্মদ তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মাওলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান, ও মুফতি আব্দুল হাই। আদালত মামলাটিতে ২০০৯ সালের ১৬ এপ্রিল ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
- See more at: http://barta24.com.bd/details.php?id=26355#sthash.1dPlaCn8.dpuf

'৪০ হাত মাটির নিচে পুঁতে ফেলব হারামজাদা'













1 day ago - রমনা বটমূলে বোমা হামলা ১৪ বছরে. রুদ্র রাসেল : চৌদ্দ বছরে পা দিতে যাচ্ছে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় ১০টি তাজা প্রাণ ঝরে যাওয়ার ঘটনা। ... ১৪ আসামির মধ্যে মুফতি হান্নান, আরিফ হাসান সুমন, শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মওলানা আ. রউফ, মওলানা সাবি্বর ওরফে আব্দুল হান্নান ...

  • রমনা বটমূলে বোমা হামলা ট্রাজেডি : এক যুগেও শেষ হয়নি বিচার ...

    বাংলাপোষ্ট২৪/পি: বাংলা ১৪০৮ সনের পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার পর কেটে গেছে এক যুগ। তবু আজও শেষ হয়নি এই বর্বরোচিত এই ... মুফতি হান্নান, আরিফ হাসান সুমন, শাহাদাত উল্লা জুয়েল, মাওলানা আবু তাহের, মাওলানা শওকাত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ ও মাওলানা আব্দুর রউফ জেলহাজতে আটক আছেন। বাকিরা এখনও পলাতক।
  • রমনা বটমূল বোমা হামলা নিজেই যুক্তিতর্ক শুনানি করলেন মুফতি ...

    desherpatro.com/.../রমনা-বটমূল-বোমা-হামলা-...Translate this page
    Mar 16, 2014 - স্টাফ রিপোর্টার: রমনা বটমূলে নৃশংস বোমা হামলা ঘটনার মামলায় যুক্তিতর্ক শুনানি করলেন আসামি মুফতি হান্নান। গতকাল তার পক্ষে কোনো আইনজীবী না থাকায় নিজের পক্ষে তিনি নিজেই যুক্তিতর্ক শুনানি করেন। শুনানিতে হান্নান বলেন, "২০০৫ সালে গ্রেপ্তারের পর আমাকে মোট ৪১০ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। দুই পাশে সাপ রেখে ...
  • রাষ্ট্রপক্ষের ভুলে পেছাল রমনায় বোমা হামলা মামলার বিচার - logo

    1 hour ago - রাষ্ট্রপক্ষের ভুলে পিছিয়ে গেল রমনা বটমূলে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলার বিচারকাজ। ১৩ বছর আগে পহেলা ... ২০০১ সালের ১৪ এপ্রিল রমনা বটমূলে বোমা হামলায় ১০ ব্যক্তি নিহত হয়। আহত হয় অনেকে। ... হত্যা মামলায় মুফতি আবদুল হান্নান, চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা মো.


  • __._,_.___


    [* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

    * Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





    __,_._,___

    [chottala.com] Shuvo Noboborsho



    Shuvo Noboborsho

    Submitted by Tasmia Tabassum on Mon, 14/04/2014 - 1:23am

    Bangla New Year [Bangla: বাংলা নববর্ষ Bangla Nôbobôrsho] or Pohela/Poyela Boishakh [পহেলা বৈশাখ Pohela Boishakh or পয়লা বৈশাখ Poyela Boishakh] marks the first day of the Bangla Calendar. Pohela Boishakh is celebrated with great fervor in the South Asian region of Bengal (Bangladesh and Indian/West Bengal) and among Bengali communities living in the Indian states of Tripura and Assam (specially in Barak Valley [Bangla: বরাক উপত্যকা]). Pohela Boishakh coincides with the New Years in many other Southern Asian calendars.

    Bangla New Year or Pohela Boishakh connects all Ethnic Bengalis irrespective of religious and regional differences. Ethnic Bengalis across the world and from all walks of life unite to celebrate the Public or Universal Festival of Bengalis i.e. Pohela Boishakh; it's the occasion to welcome the New-Year with a new hope of peace, prosperity and goodwill. Poyela Boishakh generally falls on 14th or 15th of April of the Georgian calendar. In Bangladesh, it is a national holiday celebrated around 14th April according to the official amended calendar designed by the Bangla Academy. In India, in Indian/West Bengal & Assam it is a public (state) holiday and is publicly celebrated on 15th of April.

    History of Pohela Boishakh

    Pohela Boishakh celebration dates back to Mughal Emperor Jalaluddin Muhammad Akbar's reign. Akbar the Great, the renowned grandson of Zahiruddin Muhammad Babar was the 3rd Mughal Emperor. In order to ease tax collection, Akbar-e-Azam changed the tradition of agricultural tax collection according to Hijri calendar and ordered a reform of the calendar because the Hijri calendar, being a lunar calendar- did not coincide with the harvest sessions and thus the farmers faced severe difficulties in paying taxes out of season.

    The Royal Astrologer of Emperor Akbar's court, Aamir Fatehullah Siraji, was the one who actually devised this calendar, after performing a research on the lunar Hijri and Solar calendar. The unique characteristic of the Bengali year was that, rather than being a lunar calendar, it was based on an amalgamation of the solar and lunar year. This was indeed a great development, as the solar and lunar years were formulated in very different methods.

    Initially this calendar was named as "Fasli San" (agricultural year) and then Bônggabdo or Bangla Year was introduced on 10/11 March 1584, but was dated from 5th November 1556 or 963 Hijri. This was the day that Akbar defeated Himu in the second Battle of Panipat to ascend the throne. This not only glorified his victory but also streamlined revenue collection into an orderly process.

    It was Akbar-e-Azam's directive to settle all dues on the last day of Choitro. The next day was the first day of the New Year (Poyela Boishakh), the day for a new beginning; landlords would distribute sweets among their tenants, and Businessmen would open a "HalKhata" (new accounts book) and close their old ones. Businessmen used to invite their customers to share sweets and renew their business relationship with them. There were fairs and festivities allover and gradually Poyela Boishakh became a day of celebration.

    Another study shows that , King Shoshangko who ruled ancient Bengal might have actually started the Bengali era. Which means the Bangla calendar started from value one, the starting point is estimated to be on Monday, 14th April 594 in proleptic Gregorian calendar and Monday, 12th April 594 in the Julian Calendar.

    Celebration of Pohela Boishakh

    Pohela Boishakh is a Public festival of the Bengalis; it is celebrated among all Bengalis- irrespective of religious and regional differences. As discussed earlier; the celebrations started from Akbar's reign. But the Public celebration of Poyela Boishakh and the large-scale organizations of cultural events have started more recently.

    Rabindranath Tagore had said, প্রতিদিন মানুষ ক্ষুদ্র, দীন, একাকী কিন্তু উৎসবের দিনে মানুষ বৃহৎ, সে সমস্ত মানুষের সঙ্গে একত্র হইয়া বৃহৎ, সেদিন সমস্ত মনুষ্যত্বের শক্তি অনুভব করিয়া মহৎ। [Prōtidin mānush khudrō, deen, ekāki. Kintu Utsōber dine mānush brihōt, se sōmōstō mānusher sōnge āekōtrō hōiyā brihōt, sedin sōmōstō mōnushōtver shōkti ōnubhōv kōriyā mōhōt]. The summary of the statement is that, a person feels stronger, complete & united when he's among other fellow mates on the occasion of a festival as compared to daily life. Truly, socializing brings a lot of change in the personality of a person; it actually changes his outlook towards the world and makes him broad minded, well-mannered and a better person indeed. Nowadays it's seen that, due to our busy schedule and hectic life we tend to forget the purpose of the festivals after they are over; people come together during festivals, forget their differences but as soon as the festival is over the differences are highlighted once again!

    The Poyela Boishakh celebrations and festivities reflect the life in rural Bengal. Usually on this day everything is washed and cleaned; people bathe early in the morning and dress in fine clothes and then go to visit relatives and friends. Special food items are prepared for the guests. Starting as a rural festival, Poyela Boishakh has now become an integral part of Bengali culture.

    People from all walks of life dress-up in traditional Bengali attire: Men wear dhuti / payejama / lungi and kurta /Panjabi. Young women wear white saris with red borders, and adorn themselves with tip (bindis), churi (bangles) and ful (flowers). Its like a custom to start the day with the traditional breakfast of Panta-Bhat (leftover rice soaked in water), onion, Shobuj Lonka (green chillies), Achar (pickles), dal (lentils) & Bhaja Elish Mach (fried Hilsa fish).

    Boishakhi Fairs are organized in many parts of Bengal. The lifestyle of rural Bengal is showcased in almost all these fairs. Various traditional handicrafts, toys, cosmetics, agricultural products, as well as various kinds of food and sweets are sold at these fairs. The fairs also provide entertainment, with singers and dancers staging jatra (traditional plays), pala gan, kobigan, jarigan, gambhira gan, gazir gan and alkap gan. They present folk songs as well as baul, marfati, murshidi and bhatiali songs. Narrative plays like Laila-Majnu, Yusuf-Zulekha and Radha-Krishna are staged. Among other attractions of these fairs are puppet shows, merry-go-round and Giant wheels are also installed and are enjoyed by the children.

    Historical Importance of Poyela Boishakh in Bangladesh

    In an attempt to suppress Bengali culture, the Pakistani Government had banned poems written by Rabindranath Tagore, the most famous poet and writer in Bengali literature. Protesting this move, Chhayanat opened their Poyela Boishakh celebrations at Ramna Park with Tagore's song welcoming the month in 1965. The day continued to be celebrated in East Pakistan (now Bangladesh) as a symbol of Bengali culture. After 1972 it became a national festival, a symbol of the Bangladesh nationalist movement and an integral part of the people's cultural heritage. Later, in the mid- 1980s the Institute of Fine Arts added color to the day by initiating the Boishakhi parade, which is much like a carnival parade. In the big metropolitans like Dhaka and Chittagong this day is marked by mass crowd flocking to hundreds of open air concerts and cultural programs, mask rallies etc.

    Dhaka
    In Dhaka, large numbers of people pour out of their houses and gather early in the morning under the banyan tree at Ramna Park. Along with the rising sun, the Chhayanat artists sing the famous song of Tagore in chorus, "এসো, হে বৈশাখ, এসো এসো" Esho, he Boishakh, Esho Esho (Come, O Boishakh, Come, Come), welcoming Boishakh.

    Dhaka's Poyela Boishakh celebration is incomplete without the "Mangal Shobhajatra". Students and teachers of the Dhaka University's Institute of Fine Arts take out a colorful procession (known as "Mangal Shobhajatra") and parade on different streets and finally returns to the Fine arts Institute. This procession mainly consists of Arts & crafts like (cutouts of tigers, owls, dragon-fly etc. and different types of masks) these colorful pieces of art display the elements of Bengali culture and resemble lifestyle of rural and modern Bengal. People of all ages and irrespective of class and profession take part in this procession. Since 1989 this Procession (Shobhajatra) has become an important event and also a major tourist attraction.

    Apart from these, various cultural programs are organized by social and cultural organizations all over Dhaka. Newspapers and magazines bring out special supplements. Targeting the Poyela Boishakh event, various movies, music albums, books etc. are released and special programs are also telecasted on television and radio.

    Many old festivals connected with New Year's Day have disappeared, while new festivals have been added. With the abolition of the zamindari system, the punya connected with the closing of land revenue accounts has disappeared. Kite flying in Dhaka and bull racing in Munshiganj used to be very colourful events. Other popular village games and sports were horse races, bullfights, cockfights, flying pigeons, and boat racing. Some festivals, however, continue to be observed; for example, bali (wrestling) in Chittagong and gambhira in Rajshahi are still popular events.

    Pohela Boishakh celebration has also hit the dancefloor of the pubs and clubs in the major cities, as an increasing number of parties are being organized nowadays for the youth. Thus, giving the celebration a western touch but keeping the indigenous feel intact.

    Chittagong

    The centre of attraction of the Poyela Boishakh celebrations in the port city Chittagong is the DC Hill Park. Sammilitō Sanskritik Jot organizes a two day festival to bid farewell to the old year and welcome the New Year. Various cultural events are organized here including plays etc. Public celebration of Poyela Boishakh in Chittagong was started in 1973; the initiative was taken by the politicians to promote Bengali culture.

    Chittagong Hill Tracts : In the Hill tracts of Chittagong three different ethnic minority groups have their individual New Year celebrations. Boisuk of Tripura People, Sangrai of Marma people and Biju of Chakma people; presently they have come together to celebrate it commonly as Boi-Sa-Bi, a day of a wide variety of festivities; specially need to mention the water festival of the Marma people.

    Khulna

    Pohela Boishakh is celebrated in Khulna with enormous joy and enthusiasm. People from all walks of life take part in the Borshoboron Rally organized by Khulna Sonskriti Kendro.

    College students take great effort in designing festoons, banners, colourful masks for this event. A newly formed non-governmental cultural organization Shokha Moyukh celebrated Pohela Boishakh at the campus of Govt. B L College, Khulna. The rally was followed by a cultural function at the campus. The event was organized by the students with support from the college faculty.

    Kolkata and West Bengal

    Kolkata, the sovereign of Bengalis in India; witnesses some of the grand celebrations of Poyela Boishakh. In Kolkata and rest of Indian/West Bengal, Poyela Boishakh and indeed the entire month of Boishakh is considered auspicious time for marriages, opening of new business ventures etc. Choitro is the Last month of the Bangla year; the garment traders give special discounts throughout the month. The last day of Choitro, is celebrated as Choitro Sankranti among the Hindu community, and Charak Pujo is held on this day. On this very same day Charak Mela/fair is organized in various parts of rural Bengal; some really miraculous acrobatics are performed by the members and these stunts are quite risky indeed.

    The day of Poyela Boishakh is a day of cultural events. Like Bangladesh, here also people wake up & bathe early in the morning and dress up in traditional Bengali attire. Many go for Probhat Pheri (a parade similar to "Shobhajatra" in Bangladesh, but it's not as colorful as that) to welcome the first day of the New Year singing Rabindra Sangeet, here also the song "এসো, হে বৈশাখ, এসো এসো" Esho, he Boishakh, Esho Esho is very popular.

    Pohela Boishakh is also the occasion when the whole family comes for a get together; youngsters touch feet of elders seeking benediction and peers greet each other Suvo Noboborsho with a hug . The celebration remains incomplete without "mishti mukh" exchanging sweets with the near and dear ones.

    Businessmen open new accounting books (HalKhata) on this day; for the Bengali Hindu businessmen HalKhata begins only after performing puja, "Swastik" sign is drawn on the HalKhata by the priests. Devotees are seen in front of the Kalighat temple , in long queues, from late night. Devotees offer Puja to receive the blessings of the almighty.
    The Government of West Bengal organizes various fairs and cultural events in different parts of the state. The most famous of these is Bangla Sangit Mela, held at Nandan-Rabindra Sadan ground.

    OTHER NATIONS

    Australia

    In Australia, the Bangla new year is celebrated in various cities such as Sydney, Melbourne and Canberra through Boishakhi Melas (fairs) where people gather to celebrate the culture Bengalis through dances, fashion shows, stalls of art, music, clothing, food etc. However the largest celebration for the Bangla new year in Australia is the Sydney Boishakhi Mela which was traditionally held at the Burwood Girls High School but from 2006 has been held at the Sydney Olympic Park. It attracts large crowds and is a very anticipated event on the Australian Bengali community calendar.

    Sweden

    The festival is also celebrated in Sweden with great enthusiasm. Traditional Bangladeshi dance performance in the Pohela Boishakh 1417 celebrations event organised by Bangladesh Students Association, Sweden.

    UK

    The Bengali community in the United Kingdom celebrate the Bengali new year with a street festival in London. It is the largest Asian festival in Europe and the largest Bengali festival outside of Bangladesh.

    Today, Pohela Boishakh celebrations also mark a day of cultural unity without distinction between class and religious affiliations. Of the major holidays celebrated in Bangladesh and West Bengal, only Pôhela Boishakh comes without any preexisting expectations (specific religious identity, culture of gift-giving, etc). Unlike holidays like Eid ul-Fitr & Durga Pujo, where dressing up in lavish clothes has become a norm, or Christmas where exchanging gifts has become an integral part of the holiday, Pohela Boishakh is really about celebrating the simpler, rural roots of the Bengal. As a result, more people can participate in the festivities together without the burden of having to reveal one's class, religion, or financial capacity.


    Source: http://news.priyo.com/2014/04/14/shuvo-noboborsho-105096.html

    এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
    নববর্ষ উপলক্ষে নাটোরে লাঠি খেলা:

    'রাঙিয়ে দিয়ে যাও গো এবার, যাবার আগে'




    __._,_.___


    [* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

    * Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





    __,_._,___

    [chottala.com] Re: Reminder: Embassy of Bangladesh_celebration of Pohela Boishakh_Sunday_ 13 April _ 5 PM







    Dear Community members:

    H.E. the Ambassador of Bangladesh to the USA cordially invites you all  to join the Embassy's  celebration of Pahela Boishakh, Bangla New Year  on Sunday, 13 April 2014 at the Bangabandhu Auditorium ( 3510 International Drive, NW, Washington DC, 20008). 

    The program will start at 5 PM and will continue through 7:30 PM followed by a dinner. Renowned  cultural groups from the community  will put up cultural performances in this event. 

    Looking forward to seeing you all along with your friends and family at the Embassy on the day.

    Please find enclosed a flyer of the event.

    Best Regards
     
    Nirupam Dev Nath
    First Secretary ( Political & Cultural)
    Embassy of Bangladesh   
    3510 International Drive, NW
    Washington DC 20008, USA
    Phone: ( 202) 244-3658
    <E-Invitation on Pohela Boishakh 2021.pdf>


    __._,_.___


    [* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

    * Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





    __,_._,___

    Saturday, April 12, 2014

    [chottala.com] লন্ডনে হল ভাড়া নিয়ে তারেকের অর্থ কেলেঙ্কারি



    লন্ডনে হল ভাড়া নিয়ে তারেকের অর্থ কেলেঙ্কারি, তোলপাড়
    জালিয়াতি তদন্তে নেমেছে লন্ডন পুলিশ
    জনকণ্ঠ রিপোর্ট ॥ বিএনপি নেতা তারেক রহমান। নামেই যার পরিচয়। তবে সেই পরিচয়টা মোটেও সুখদায়ক নয়। বিরোধী পক্ষের কেউ তাকে ডাকে 'দুর্নীতির বরপুত্র', কেউবা বলেন 'শীর্ষ দুর্নীতিবাজ।' আর এই দুর্নীতির তকমা মাথায় নিয়েই মুচলেকা দিয়ে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু প্রবাসে বসেও দুর্নীতিমুক্ত থাকতে পারছেন না হাওয়া ভবনের এক সময়ের দোর্দ- প্রতাপশালী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার এই জ্যৈষ্ঠ পুত্র! গত ৭ এপ্রিল লন্ডনের যে ওয়েস্টমিনস্টার হলে 'সুধী সমাবেশের' নামে তারেক রহমান ইতিহাস বিকৃতির উদ্ভট তত্ত্ব হাজির করে সমালোচনার শিরোনাম হয়েছেন, সেই হলের ভাড়া পরিশোধে বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি, অনুষ্ঠানের নাম করে বিপুল পরিমাণ চাঁদা উত্তোলন এবং অনুষ্ঠানের পর বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মৃদু হাতাহাতি ও উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের ঘটনা যুক্তরাজ্য জুড়েই তোলপাড়ের সৃষ্টি করেছে। বেগতিক অবস্থা থেকে উত্তরণে যুক্তরাজ্য বিএনপির শীর্ষ নেতারা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে ফেলতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন।
    হল ভাড়া পরিশোধে অর্থ জালিয়াতির ঘটনা সেদেশের পুলিশ পর্যন্ত গড়িয়েছে। যুক্তরাজ্য পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের শনাক্ত করতে মাঠে নেমেছে। লন্ডনজুড়ে প্রবাসী বাঙালীদের মধ্যে এই ঘটনায় তারেক রহমানকে নিয়ে নানা মুখরোচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বলাবলি করছেন, তারেক রহমান থাকবেন আর সেখানে দুর্নীতি বা জালিয়াতি হবে না- সেটা কী করে হয়?
    গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের এই ওয়েস্টমিনস্টার হলেই 'সুধী সমাবেশের' ব্যানারে বিএনপি সমর্থকদের এক সভায় তারেক রহমান 'শেখ মুজিব ছিলেন অবৈধ প্রধানমন্ত্রী' এমন উদ্ভট তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন! তাঁর এই মন্তব্যে শুধু লন্ডন বা বাংলাদেশেই নয়, সারাবিশ্বে থাকা প্রবাসী বাঙালীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বুদ্ধিজীবীরা তারেক রহমানকে 'অর্বাচীন, অর্ধশিক্ষিত বালক, হতাশাগ্রস্ত দুর্নীতিবাজের পাগলের প্রলাপ'সহ নানা বিশেষণে ভূষিত করে তার করা ওই উদ্ভট তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়ে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরেছেন জাতির সামনে।
    লন্ডনে হল ভাড়া নিয়ে অর্থ জালিয়াতির ঘটনা সেদেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রেও ফলাও করে প্রচার হয়েছে। সেদেশের ৪৬ বছরের পুরাতন বাংলা সাপ্তাহিক 'জনমত' পত্রিকাতেও বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে রিপোর্ট করেছে। জনমত পত্রিকার রিপোর্ট ছাড়াও লন্ডনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৭ এপ্রিল ওয়েস্টমিনস্টার হল ভাড়া নিয়েছিলেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ। অনুষ্ঠান শেষে হলের ভাড়া পরিশোধ করতে গিয়ে বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতির আশ্রয় নেন তিনি।
    জানা গেছে, কয়ছর আহমেদ অনুমতি ছাড়াই বিএনপির অন্য এক নেতার ব্যাংক কার্ড ব্যবহার করে বড় অঙ্কের হলের ভাড়া পরিশোধ করেছেন। ওই নেতার ব্যাংক কার্ড কী ভাবে কয়ছর আহমদের কাছে গেল তা নিয়েও তৈরি হয়েছে বিরাট রহস্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিএনপি নেতা অর্থ জালিয়াতির ঘটনা লন্ডন পুলিশকে জানিয়েছেন। বিএনপির পদ হারানো আর তারেক রহমানের ভয়ে ওই বিএনপি নেতা তটস্থ থাকলেও রহস্য অনুসন্ধানে লন্ডন পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্তে মাঠে নেমেছে। এ নিয়ে পুরো লন্ডনে তোলপাড় চলছে। বলাবলি হচ্ছে, লন্ডনে আশ্রয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বড় পুত্র তারেক রহমানের অজ্ঞাতসারে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এত বড় ঘটনা ঘটানোর সাহস পেত না।
    সাপ্তাহিক জনমতের প্রতিবেদক ক্ষতিগ্রস্ত ওই বিএনপির নেতার সঙ্গে কথাও বলেছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী, ব্যাংক কার্ডের মালিক ওই বিএনপি নেতা নিজেই স্বীকার করেছেন, এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে এবং তিনি নিজে বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। তদন্তের পর পুরো রহস্য উদঘাটিত হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে সবার সামনে মুখ খুলবেন। তবে বর্তমানে বিষয়টি যুক্তরাজ্যে পুলিশের তদন্তাধীন থাকায় তিনি এখন কোন মন্তব্য করতে চাইছেন না।
    এ ঘটনা নিয়ে লন্ডনজুড়েই সমালোচনার ঝড় উঠলে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শাইস্তা চৌধুরীর কথায় বড় ধরনের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। একবার তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। কে হলের ভাড়া পরিশোধ করেছে তার সরাসরি উত্তর না দিয়ে বলেন, আমরা পরিশোধ করেছি। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, তিনি এবং সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ হলের ভাড়া পরিশোধ করেছেন। কার্ডের পিন নাম্বার কে টিপেছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদ তা করেছেন। কিন্তু এ কার্ডটি কার ছিল? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি দাবি করেন, হলের ভাড়া বাবদ ৭ হাজার পাউন্ডের কিছু বেশি অর্থ তারা ক্যাশে (নগদ) পরিশোধ করেছেন। তবে হলের প্রকৃত ভাড়া কত তা তিনি ভুলে গেছেন।
    তবে যুক্তরাজ্য বিএনপির অন্য নেতাদের অভিযোগের তীর কয়ছর আহমদের দিকেই। তাদের দাবি, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর আহমদই কার্ড জালিয়াতি করেছেন। নেতাদের আরও অভিযোগ, হল ভাড়া ও সভার খরচ বাবদ বিভিন্ন শাখা কমিটি এবং নেতাকর্মীদের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের অর্থ চাঁদা তোলা হয়েছে। অনেককে তারেক রহমানের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ দেয়া হবেÑ এ কথা বলেও অর্থ আদায় করা হয়েছে। এসব অর্থের কোন হিসাব কারও কাছে নেই। উত্তোলিত এসব অর্থের হিসাব দেয়া তো দূরে থাক, উল্টো হলের ভাড়া পরিশোধে সাধারণ সম্পাদক অর্থ জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।
    খোদ বিএনপি নেতারাই অভিযোগ করছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পুত্র তারেক রহমানকে নিয়ে ঘনঘন এসব অনুষ্ঠান আয়োজন করে যুক্তরাজ্য বিএনপির দুই শীর্ষ নেতা অর্থ বানানোর মেশিন হয়ে উঠেছে। আর এসব অর্থের ভাগ অনেক জায়গাতেই যায়। জানা গেছে, তারেক রহমানের সম্মতি নিয়েই ওই দুই নেতা এমন ঘনঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। আর এসব অনুষ্ঠানেই 'জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি' আর 'শেখ মুজিব ছিলেন অবৈধ প্রধানমন্ত্রী'- এই দুই উদ্ভট তত্ত্ব আবিষ্কার করেন তারেক রহমান।
    এই দুই উদ্ভট তত্ত্বের কারণে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ-বিক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় চলছে বাংলাদেশে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি ও সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও দ্রুত সংবিধান লঙ্ঘনকারী এমন মন্তব্যের জন্য তারেক রহমান ও তাঁর মা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে 'রাষ্ট্রদ্রোহ' মামলা দায়ের এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়েছেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওয়েস্টমিনস্টার হলে তারেক রহমানের ওই অনুষ্ঠানে অতিথিদের নাম ভুল উচ্চারণ নিয়েও বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠান শেষে যুক্তরাজ্য প্রবাসী কয়েক বিএনপি নেতা এ বিষয়ে প্রকাশ্যই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠান শেষে কয়েক বিএনপির নেতাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, মৃদু হাতাহাতি ও গালিগালাজের ঘটনা ঘটলেও আয়োজকরা তা বরাবরের মতোই অস্বীকার করেছেন।
    জানা গেছে, তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা নতুন কিছু নয়। বিএনপির যুক্তরাজ্য শাখার বর্তমান কমিটি নিয়ে সেদেশে বসবাসরত দলটির পোড় খাওয়া নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ-অভিমানের কমতি নেই। এ ছাড়া লন্ডনে বিএনপি স্পষ্টত দুইভাবে বিভক্ত। একদিকে সাবেক সভাপতি মহিদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এম এ মালেক, অন্যদিকে বর্তমান সভাপতি শাইস্তা চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক কয়ছর রহমান।
    ত্যাগী নেতাদের অভিযোগ, বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোন সময়ই বিএনপির বড় কোন নেতা ছিলেন না, তাদের বড় পরিচয় ব্যবসায়ী। বিএনপির ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে কেন তাদের এত বড় পদে আনা হলো এ নিয়েও লন্ডনে দলটিতে সমালোচনার কমতি নেই। প্রকাশ্য না বললেও আড়ালে-আবডালে কমিটি গঠনে বিপুল অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ যুক্তরাজ্যের সর্বত্র। বর্তমান কমিটির বিরুদ্ধে তারেক রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের নামে বিএনপি সমর্থক প্রবাসী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে থেকে চাঁদা তুলে পরে উপঢৌকন হিসেব অনেক জায়গায় দেয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।


    __._,_.___


    [* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

    * Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





    __,_._,___

    [chottala.com] মনে রাখবেন,১৯ শে এপ্রিল ফ্রেণ্ডস এন্ড ফ্যামিলীর বৈশাখী মেলা ।





    __._,_.___


    [* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

    * Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





    __,_._,___
    Older Posts Home