Banner Advertise

Monday, August 18, 2014

[chottala.com] Ivy alleges 18 murders and more



Ivy alleges 18 murders and more
N'ganj city corporation Mayor Dr. Selina Hayat Ivy alleged that Ajmeri Osman, nephew of Shamim Osman MP, committed 18 murders. She herself faces murder for revealing these truths. But she is prepared to die for the sake of the truth and service to people. Referring to her slanging match with Shamim Osman in a recent TV talk show and Shamim Osman's casting of slur on her character, she said, she is not cowed down by these vile acts of Shamim Osman, nor she is afraid by the various intimidations from Shamim Osman. She said she would not bow down to Shamim Osman's pressure. ('Shamim Osman has been accused by many quarters of involvement in the sensational seven murders and the murder of school student Tanvir Ahmed Twaki in Narayanganj.' But Hasina said that these allegations were 'conspiracies' against Shamim Osman family and that she would stand by the family)

(Please click to read Amar Desh report 18 August 2014)   
http://www.amardeshonline.com/pages/details/2014/08/19/253394#.U_J0C8VdVpo
The report is as follows:
আজমেরীর '১৮ খুনের' কথা ফাঁস করব, মৃত্যুকে বরণ করতেও প্রস্তুত : আইভী : 'টকশোতে শামীম ওসমানের আচরণে তার মা লজ্জায় মুখ লুকাত'; 'দাউদকান্দি থেকে তারা কীভাবে এসেছিল, কীভাবে শত কোটি টাকার মালিক হলো, তা নারায়ণগঞ্জবাসী জানে'
ডেস্ক রিপোর্ট
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াত্ আইভী বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ভাই নাসিম ওসমানের ছেলে আজমেরী ওসমান ১৮টি খুন করেছেন। আজমেরীর এসব খুনের কথা তিনি সবার সামনে তুলে ধরবেন। এজন্য তিনি মৃত্যুকে বরণ করতেও প্রস্তুত।
সোমবার দুপুরে বন্দরের দড়িসোনাকান্দা এলাকায় মদনগঞ্জ থেকে নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করার সময় আইভী এসব কথা বলেন। গত মঙ্গলবার রাতে নারায়ণগঞ্জের সাত খুন নিয়ে একাত্তর টেলিভিশনের লাইভ টকশো 'একাত্তর সংযোগে' সেলিনা হায়াত আইভীর সঙ্গে সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বাগবিতণ্ডা হয়। সেখানে আইভীর ব্যক্তিজীবন এবং পরিবারকেও আক্রমণ করেন শামীম। অনুষ্ঠানের মাঝবিরতি এবং শেষে উত্তেজনা আরও বাড়ে। বিরতির সময়ের দৃশ্য সরাসরি দর্শকেরা দেখতে না পেলেও পরে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আমি তথাকথিত নারী নই
গতকালের সড়ক নির্মাণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আইভী টকশোতে শামীম ওসমানের দেয়া বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। আইভী বলেন, তিনি যাতে নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কথা না বলেন সে জন্য শামীম ওসমান তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। সুযোগ পেলেই অপমান করছেন। তবে তিনি কোনো হুমকি ধমকিতে মাথা নোয়াবেন না বলে সাংবাদিকদের জানান।
মেয়র বলেন, 'আমি তথাকথিত নারী নই যে তার (শামীম ওসমান) কথা শুনে দল ছেড়ে চলে যাব বা ইনঅ্যাকটিভ হয়ে যাব। আমি নাজমা রহমান নই যে তার কথা শুনে নারায়ণগঞ্জ ছেড়ে চলে যাবো। আমি এসএম আকরাম নই যে তার অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দল ছেড়ে চলে যাবো। আমি গিয়াস উদ্দিন না যাকে বাধ্য করা হয়েছে অন্য দলে চলে যেতে। কামাল মৃধাকে মারা হয়েছে, মামলা দেয়া হয়েছে, দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। আমি আরাফাত নই। আমি আনোয়ার সাহেব নই যে আমাকে নানা ধরনের কথা বলা হবে, লোভ দেখানো হবে আর আমি অন্য দলে চলে যাব। আমি আওয়ামী লীগে আছি, আওয়ামী লীগে থাকবো। আওয়ামী লীগে থেকেই চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করব।'

আজমেরী ওসমান ১৮টি খুন করেছেন
আজমেরী ওসমান ১৮টি খুন করেছেন উল্লেখ করে আইভী বলেন, 'আজমেরী ওসমান যে এই অল্প বয়সে ১৮টা খুন করেছে তার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা আমি অবশ্যই তুলে ধরব। এতে যদি আমার মৃত্যু হয়, তবে আমি মৃত্যুকেই বরণ করে নেবো। আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আমার মৃত্যুর পর আমার জানাজায় অংশ নিয়ে আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার মৃত্যুর পর আমার লাশটা যাতে আমার বাবার পাশে দাফন করা হয়, সেটাও আমি বলে গেলাম।'

খুন-চাঁদাবাজির কথা না বলার জন্য অপমান করা হচ্ছে
আইভী বলেন, 'এলজিইডি, ড্রেজার, ফ্যাসিলিটিজ ডিপার্টমেন্ট, পিডব্লিউডি সব সরকারি কাজের নিয়ন্ত্রণ নারায়ণগঞ্জের গডফাদারের দখলে। সেখানে টেন্ডার সিডিউল কেনা তো দূরের কথা, তার লোকের বাইরে কাউকে সেখানে যেতেও দেয়া হয় না। কিন্তু নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টেন্ডার নিয়ে এসব কখনো হয় না। কারণ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে স্বচ্ছ টেন্ডারের মাধ্যমে যে কাজ পায়, সে-ই কাজ নেয়। যদি কোনো কাজের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে আমি এলাকাবাসীর জুতা নেয়ার জন্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকব। আমার কাউন্সিলরদের মধ্যে বিভেদ তৈরি করার জন্য, আমি যাতে খুন-চাঁদাবাজির কথা না বলি, এ কারণে আমাকে এভাবে অপমান করা হচ্ছে।'

তার মা লজ্জায় মুখ লুকাত
টকশোতে শামীম ওসমানের আচরণ উল্লেখ করে আইভী বলেন, 'আমি জানতে চাই, যে গডফাদার একজন নারীকে এভাবে লাঞ্ছিত করছে সে কি কোনো মায়ের পেট থেকে জন্ম নেয়নি ? তার কি কোনো মেয়ে নাই? তার কি কোনো বউ নাই, বোন নাই? তাহলে কীভাবে একজন নারীকে সে বেইজ্জতি করছে এইভাবে? তাকে যে মা জন্ম দিয়েছে, সেই মা যদি সেদিন সামনে থাকত তাহলে সে লজ্জায় মুখ লুকাত।'

গডফাদারের কাছ থেকে চরিত্রের সার্টিফিকেট নিতে হবে না
মেয়র আইভী নারায়ণগঞ্জের সাংসদ শামীম ওসমানের উদ্দেশে বলেন, 'আমাকে যতই বলেন না কেন আমি দুশ্চরিত্রের নারী, আমি দুশ্চরিত্রের নারী হয়েই নারায়ণগঞ্জ শহরে কাজ করব, আপনার মতো গডফাদারের কাছ থেকে আমার চরিত্রের সার্টিফিকেট নিতে হবে না। যতটা খারাপ কথা আপনি আমাকে বলবেন, ততটা খারাপ কথা আপনার মেয়ের ওপরে ফলবে। আমারও সন্তান আছে। তাই আমি আপনার মেয়েকে কিছু বলব না। আমার বাপকে নিয়ে আপনি যেসব কথা বলেছেন, আমি আপনার বাপকে নিয়ে সে কথা বলব না। আপনি আমার দাদাকে নিয়ে যেসব কথা বলেছেন, আমি আপনার দাদাকে নিয়ে সেসব কথা বলব না। তিনি বলেছেন আমার রক্ত খারাপ। মানলাম আমার রক্ত খারাপ। আর আপনার রক্ত রাজকীয়। আপনি রাজকীয় রক্ত নিয়ে এই শহরের মানুষের টাকা শোষণ করে, নারায়ণগঞ্জের শত শত ছেলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে, চাঁদাবাজ বানিয়ে সন্ত্রাসী বানিয়ে আবার তাদের ক্রসফায়ারে হত্যা করে সুন্দর সুন্দর কথা বলেন, নিজেকে রাজকীয় রক্তের লোক দাবি করেন। তাহলে এমন রাজকীয় রক্ত আমার দরকার নেই। দাউদকান্দি থেকে তারা কীভাবে এসেছিল, কীভাবে শত কোটি টাকার মালিক হলো, তা নারায়ণগঞ্জবাসী জানেন। আমি এটা বলতে চাই না।'
 
 
 
 


__._,_.___

Posted by: Zoglul Husain <zoglul@hotmail.co.uk>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

Tuesday, June 10, 2014

[FutureOfBangladesh] Re: Fw: Please vote for Mr. Anis Ahmed of Montgomery Country, Maryland, US A (if you are a voter in that jurisdiction)



Bangalee in USA  

Should not  support this  anti Bangladesh, characterless, principle less, anti people Razakar minded this person.

Rather they should act to defeat this culprit!
 
--

দেশে বিদেশে বাঙ্গালীরা এবং বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠ গুনুমুগ্ধ ভক্ত গন

সুখে থাকুন, ভালো থাকুন এবং নিরাপদে থাকুন

 

জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু

 

শুভেচ্ছান্তে


সফিকুর রহমান অনু


On Wed, Jun 11, 2014 at 12:47 PM, Anis Ahmed <anis.ahmed@netzero.net> wrote:
Please note: forwarded message attached

Return-Path: <bangladesh-progressives@googlegroups.com>
for <anis.ahmed@netzero.net>
 
Dear Bangladeshi-Americans living in Montgomery Country (Maryland, USA):
 
I am proud to support Mr. Anis Ahmed of Montgomery Country (Maryland, USA) as a candidate for the Democratic Central Committee - Legislative District 15 - Montgomery Country, Maryland (flyer attached).
 
I am requesting you to please vote for him (if you are a voter in that jurisdiction) and spread the words to your friends and other voters in that jurisdiction.
 
With best regards,
 
Muktijoddha Dr. Emarat Hossain Pannah (USA)
A Bangladeshi-American living in Maryland

 
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Bangladesh Progressives" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to bangladesh-progressives+unsubscribe@googlegroups.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.

--
--
* Disclaimer: You received this message because you had subscribed to the Google Groups "Bangladeshi-Americans Living in New England". Any posting to this group is solely the opinion of the author of the messages to BangladeshiAmericans@googlegroups.com who is responsible for the accuracy of his/her information and the conformance of his/her material with applicable copyright and other laws where applicable. The act of posting to the group indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator(s). To post to this group, send email to BangladeshiAmericans@googlegroups.com.
To unsubscribe from this group, send email to BangladeshiAmericans-unsubscribe@googlegroups.com
For more options, visit this group at http://groups-beta.google.com/group/BangladeshiAmericans?hl=en ].

---
You received this message because you are subscribed to the Google Groups "Bangladeshi-Americans Living in New England" group.
To unsubscribe from this group and stop receiving emails from it, send an email to bangladeshiamericans+unsubscribe@googlegroups.com.
For more options, visit https://groups.google.com/d/optout.

N.B.: If any one is offended by content of this e-mail, please ignore & delete this e-mail. I also request you to inform me by an e- mail - to delete your name from my contact list.


__._,_.___

Posted by: "Engr. Shafiq Bhuiyan" <srbanunz@gmail.com>


....we must use caution and restraint in our language.  No personal attacks, address the issues, avoid inflammatory rhetoric, do not suggest or infer violence and be able to back up any statements or facts with a credible web site link....




__,_._,___

Wednesday, May 21, 2014

[chottala.com] লুঙ্গি, গেঞ্জি পরে যেভাবে সীমান্ত পাড়ি দিলো নূর হোসেন



লুঙ্গি, গেঞ্জি পরে যেভাবে সীমান্ত পাড়ি দিলো নূর হোসেন



__._,_.___

Posted by: Shahadat Hussaini <shahadathussaini@hotmail.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

[chottala.com] Fw: Register Hands-on LINUX/UNIX Training at Tech Ines Solutions (TIS)BCCDI Community-news ;Baainews ;




On Tuesday, May 20, 2014 11:50 PM, inam haque <haqueinam07@gmail.com> wrote:


Please view the attached registration form and register with TIS for IT Training classes ASAP.

Photo




__._,_.___

Posted by: inam haque <haque_i@yahoo.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___

Tuesday, May 20, 2014

[chottala.com] বঙ্গবন্ধু নয়, জাতিকে বিভক্ত করেছে জিয়া



প্রায় বিশ-পঁচিশ বছর আগে যখন চারদিকে দানবের বিষাক্ত নিঃশ্বাস, জাতির মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ যখন ছিনতাই হওয়ার পথে, তখন ওই অন্ধকার সময়ের মধ্যে মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার আস্থা তৈরির তাগিদে লিখতে শুরু করেছিলাম দৈনিক সংবাদে। সেসব লেখার সঙ্গে একাধিক লেখা ছিল জিয়ার প্রকৃত চরিত্র উন্মোচন বিষয়ে। এর একটি বড় কারণ ছিল শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে কর্মরত অবস্থায় সমাজবিজ্ঞানে বা বাংলা-ইংরেজি পাঠ্যপুস্তকে বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন, মুক্তিযুদ্ধ, ২৫ মার্চের পাকিস্তানী সেনা ও রাজনীতিকদের যৌথ উদ্যোগে বাঙালীর ওপর পরিচালিত গণহত্যা, ধর্ষণ, বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রকৃত সার্বিক বিবরণ ও ছবি সংযুক্ত করতে না পারার বিস্ময় ও প্রতিবাদ! এবার খালেদা জিয়া মন্তব্য করেছেন, 'জাতিকে বিভক্ত করেছেন বঙ্গবন্ধু'! এ মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আবার ভাল করে ইতিহাসকে দেখার সুযোগ পাওয়া গেল। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র যুদ্ধাপরাধীদের ছাড়া অন্য সব বাঙালী, আদিবাসীকে ঐক্যবদ্ধ জাতি হয়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন 'আজ থেকে সবাই বাঙালী (বাংলাদেশের বাসিন্দা অর্থে) হয়ে যাও।'

06032014_005_BANGABANDHU

'৭২ সালে রচিত সংবিধানে জাতির যে চারটি মৌল প্রত্যয় নির্ধারণ করা হয় তাতে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র ও বাঙালী জাতীয়তাবাদ অন্তর্ভুক্ত হয়। সংবিধানের এই 'বাঙালী জাতীয়তা' প্রকৃতপক্ষে বঙ্গবন্ধু-তাজউদ্দীনসহ সব নেতা ও সংবিধান প্রণেতা 'ব্রিটিশ' বা 'ইংলিশ', 'স্কটিশ', 'আমেরিকান', 'জার্মান', 'ফ্রেঞ্চ', 'জাপানিজ', 'রাশিয়ান', 'চাইনীজ', 'ভারতীয়', 'পাকিস্তানী'-এই অর্থে ব্যবহার করেছেন। পাকিস্তানে বা ভারতে পাঠান, পাঞ্জাবী, শিখ, বালুচ, সিন্ধী, নানা উপজাতি যেমন হাজরা, মেঙ্গল, ভারতে বোড়ো, কোচ, কুকি, সাঁত্ততাল সবাই পাকিস্তানী ও ভারতীয়। পরবর্তীকালে এই ব্যাখ্যার অনুসরণে আমি লিখেছিলাম যে, বাংলাদেশের সব নাগরিকের নাগরিকত্বের নাম বাংলাদেশি, বাঙালীর নৃতাত্ত্বিক-সাংস্কৃতিক-ভাষাগত নাম হবে বাঙালী। বর্তমানে এটিই প্রচলিত আছে। এ ভুলটা একা বঙ্গবন্ধুর নয়, সব সংবিধান প্রণেতা এবং আওয়ামী লীগের সে সময়ের বড় বড় মেধাবী নেতাসহ এ ভুল সংজ্ঞাটি ব্যবহার করেছেন নাগরিক অর্থে।

এখানে প্রাসঙ্গিক দু'টি ঘটনা স্মরণ করা দরকার।
১. সেনাবাহিনীতে জিয়াউর রহমানের নানা অপতৎপরতার কারণে বঙ্গবন্ধু তার চাকরি সেনাবাহিনী থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে তাকে রাষ্ট্রদূত পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করেছিলেন; যেটি জিয়া প্রধানত তদানীন্তন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা নূরুল ইসলামের হাতে-পায়ে ধরে, ক্ষমা চেয়ে সেনাবাহিনীতেই তাকে রাখতে বঙ্গবন্ধুকে অনিচ্ছাসত্ত্বেও সম্মত করাতে সক্ষম হন। পরে নূরুল ইসলাম মৃত্যুশয্যায় জিয়াকে বিশ্বাস করে তিনি বঙ্গবন্ধু ও জাতির কত বড় ক্ষতি করেছেন সে বিষয়ে লিখেছেন।

২. মেজর শফিউল্লাহ সেনাপ্রধান হওয়াতে চরম অসন্তুষ্ট জিয়াকে সন্তুষ্ট করতে বঙ্গবন্ধু উপসেনা প্রধানের পদ সৃষ্টি করে জিয়াকে এ পদে নিয়োগ দিয়ে সেনাবাহিনীতে থেকে যাবার সুযোগ দেন। অথচ বঙ্গবন্ধু লন্ডনে চিকিৎসার জন্য গেলে তখনি একটি ক্যু প্রচেষ্টা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু তা জেনেও জিয়া বা কোন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। তিনি শত্রু-মিত্র সবাইকে নিয়ে দেশ গড়তে চেয়েছিলেন, এটি ছাড়াও এর বহু উদাহরণ আছে।

জিয়াউর রহমান ঐ উপসেনাপ্রধান হওয়ার বছর খানেকের মধ্যে '৭৫-এর ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু সপরিবার পাকিস্তান প্রত্যাগত সেনাদের হাতে নিহত হন। ঐ খুনীরা ৩ নবেম্বর জেলখানায় তাজউদ্দীনসহ চার জাতীয় নেতা, মুক্তিযুদ্ধের পরিচালকদের হত্যা করে। ঐ হত্যাকারীরা জিয়াউর রহমানের এ হত্যা মিশনে সম্মতি ছিল বলে জানিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, খালেদা জিয়া, সদ্য স্বাধীন দেশের জনক, তাঁর পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতাদের হত্যা করে জিয়া ও খুনী দলই কি প্রথম জাতিকে বিভক্ত করেনি? স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধপন্থীদের হত্যাকারী গোলাম আযম ও জামায়াতে ইসলামীর পর জিয়াই কি যুদ্ধাপরাধীদের সূচিত ঐ হত্যা প্রক্রিয়াকে নতুন করে সূচনা করেনি?

৩. খালেদা জিয়া, বলুন, কেন জিয়াউর রহমান ক্ষমতা গ্রহণ করেই একজন যুদ্ধাপরাধীকে প্রধানমন্ত্রিত্ব দিয়ে, অন্য যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রিত্ব দিয়ে আপনার মতোই যুদ্ধাপরাধীর পক্ষ নিলেন? প্রথমেই তিনি কেন যুদ্ধাপরাধীর বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধু কর্তৃক গঠিত সত্তরের বেশি ট্রাইব্যুনাল বন্ধ করে দিয়ে ঐ গ্রেফতারকৃত, বিচারাধীন, দন্ডিত ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ করলেন, দন্ড মওকুফ করলেন, মুক্তি দিলেন এবং বিদেশ থেকে ফেরত আসার পথ সুগম করে দেশে তাদের সব নাগরিক অধিকার ফেরত দিলেন? দেশের শত্রুদের পক্ষ নিয়ে তিনিই কি স্বাধীন জাতিকে নতুন করে শত্রুর মুখে ঠেলে দেননি? এটিই তো বিভাজন, নয় কি?

বঙ্গবন্ধু তো যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করে দেশ ও সমাজকে যুদ্ধাপরাধীমুক্ত করে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করিয়ে দেশকে দ্রুত উন্নতির পথে নিয়ে যেতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। আপনি নিশ্চয় জানেন, অন্যান্য যে কোন দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, শাস্তি তো হয়ই, উপরন্তু তাদের ভোটাধিকারসহ রাজনীতি করার অধিকার থাকে না। ইউরোপ আপনার যত বন্ধুই হোক, তারা কিন্তু সেই '৪৫-এ শেষ হওয়া হিটলারের দ্বারা সূচিত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের গেস্টাপো বাহিনীর উত্থানের বিরুদ্ধে এখনও প্রতিটি দেশই কঠোর দৃষ্টি রাখে যাতে কোনভাবে ইউরোপে হিটলারের নাজিবাদ আর মাথা তুলতে না পারে।

খালেদা জিয়া, আপনি যদি মনে করেন বঙ্গবন্ধু সরকার যুদ্ধাপরাধী ও মুক্তিযুদ্ধপন্থী হিসেবে জাতিকে বিভক্ত করেছেন, তাহলে আপনি নিজেকে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ হিসেবে প্রমাণ করবেন যা আপনি, জিয়া, তারেক অনেকভাবেই প্রমাণ করেছেন। এখনও আপনারা তাদের মিত্রই আছেন। এরা জাতির শত্রু। এদের বিচার ও দন্ড দেবার কাজটিকে বিদ্রূপ করে আপনি জাতির বিভাজন বলছেন বলে জাতি যদি মনে করে, তা কি ভুল হবে?

৪. জিয়াউর রহমান '৭২-এর সংবিধানকে মুসলমানী করে প্রকারান্তরে বাঙালী জাতিকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করেছেন, যেমন জামায়াত করে! তিনি অসাম্প্রদায়িক বাঙালীকে সংবিধানের একটি স্তম্ভ 'ধর্মনিরপেক্ষতা' কর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধকরণের আর্টিকেলটি তুলে দিয়ে সংবিধানে 'আল্লাহ্র ওপর বিশ্বাস'কে জুড়ে দিয়ে মুসলমান ও অমুসলমানে অসাম্প্রদায়িক বাঙালীকে বিভক্ত করেছেন।

৫. জিয়াউর রহমান 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' নাম দিয়ে বাঙালীকে বিভক্ত করেছেন অতি চাতুর্যের সঙ্গে। তিনি এ নামকরণকে যদি নাগরিকত্বের নাম হিসেবে উল্লেখ করতেন, তা হলে কাজটি সঠিক হতো। কিন্তু স্পষ্টত, তিনি মুক্তিযুদ্ধজাত দৃঢ় ঐক্যবদ্ধ নবীন স্বাধীন বাঙালী জাতির মধ্যে বিশাল একটি ফাটল সৃষ্টি করলেন। কারণ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধপন্থী বাঙালী এখন 'বাঙালী' ও 'বাংলাদেশী' এই দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। এর ফলে সাধারণ জনের সামনে 'ধর্মনিরপেক্ষতা'কে ধর্মহীনতা হিসেবে গণ্য করা, আল্লাহ্কে যারা মানে তারা ধার্মিক এবং এরাই বাংলাদেশী; অপরদিকে ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালী হিন্দুয়ানী পূজাপার্বণে বিশ্বাসী, এমন একটি চিত্রই কিন্তু তিনি অতিধূর্ততার সঙ্গে মানুষের মনে এঁকে দিয়েছেন। পাশাপাশি চলেছিল বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন হিন্দু ছিলেন, তাজউদ্দীনের স্ত্রী হিন্দু ছিলেন ইত্যাদি প্রচারণাসহ আরও নানা চরিত্র হননকারক প্রচারণা। শেখ মনি, শেখ কামাল, শেখ জামালের চরিত্র হনন হয়েছিল সীমাহীন। জাতির এই বিভক্তির পরিণাম হয়েছে ভয়াবহ। একদিকে সেনানিবাসে চলছিল মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাদের 'ক্যু'র নাম দিয়ে ফাঁসিতে হত্যা, অপরদিকে পাকিস্তানপন্থী-পাকিস্তান ফেরত সেনা-আমলাদের সব রকম সুযোগ-সুবিধা-পদ লাভ। বাঙালী মানে হলো অধার্মিক, হিন্দুঘেঁষা আর বাংলাদেশী মানে হলো ধার্মিক মুসলমান। এ তত্ত্ব জিয়ার সৃষ্টি!

৬. সুতরাং বাংলাদেশী আর জামায়াতী-যুদ্ধাপরাধী এক আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে ওঠে। ক্রমে বাংলাদেশীদের ঘাড়ে পা রেখে যুদ্ধাপরাধী, ধার্মিক নামের গণহত্যাকারী ধর্মব্যবসায়ী ধর্ষকরা ব্যবসা-বাণিজ্য করে ফুলেফেঁপে উঠল। বিপরীতে জনমানুষের মন থেকে মলিন হয়ে গেল মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ, মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানায়কদের অবদান, রাজনৈতিক নেতাদের স্মৃতি ও ছবি। 'বাংলাদেশী'দের দাপটে 'বাঙালী' সমাজে কোণঠাসা হয়ে পড়ল তাদের নিজেদের অসামান্য অবদানে ও যোগ্য নেতৃত্বে অর্জিত এই স্বাধীন দেশে। এই বিভাজন ও সরকার কর্তৃক শত্রুর পক্ষাবলম্বনই বাংলাদেশের সবচাইতে বড় ক্ষতির কারণ।

এখানে মনে পড়ছে '৯১, ৯২, ৯৩ সালে যখন প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষাক্রম উন্নয়নের গবেষণা ও ভিডিও তৈরির সময় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের শেখ মুজিব, জয় বাংলা, বঙ্গবন্ধু শব্দগুলো বলছিলাম, সে শব্দগুলো শুনেই শিশুদের মুখ পাংশু, ঠোঁট কাঁপতে দেখেছি। কোন একটি স্কুলে ঐ এলাকার একজন যুদ্ধ করা আহত মুক্তিযোদ্ধার খোঁজ করে একজনকে পেলাম যাকে স্কুলের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের দিয়ে প্রশ্ন করিয়ে মুক্তিযোদ্ধার দেয়া উত্তরগুলো লিখতে বলেছিলাম। পঞ্চান্ন মিনিটের ঐ প্রকৃতি ও স্থানীয় উপাদান ব্যবহার করে পাঠদানের মডেলগুলোর ভিডিওটি শিক্ষক প্রশিক্ষণের একটি উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করার জন্য নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু বড় বড় শিক্ষক প্রশিক্ষণের সেশনে ঐ ভিডিওটি প্রদর্শনে বিশাল বাধা এসেছিল সে সময়ের শিক্ষক প্রশিক্ষণের কেন্দ্রগুলোর অনেক অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের কাছ থেকে। সে সময়ের প্রাইমারী শিক্ষার কোন কোন প্রগতিশীল পরিচালকের সহায়তায় দু'একটি প্রশিক্ষণে এটি দেখানো হয়েছিল। অধিকাংশ প্রশিক্ষণে মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাতকার নেয়া পাঠের আগেই ভিডিওটি বন্ধ করে দেয়া হতো। অনেক বাধার মধ্যে এটি একটি মাত্র উদাহরণ।

৭. জিয়াউর রহমান খুবই ধীরে ধীরে কিন্তু বুঝেশুনে আর একটি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা-আদর্শবিরোধী কাজ করেছিলেন। '৭৬ থেকে আস্তে আস্তে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে 'আমার সোনার বাংলা' জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরে, গাওয়া হতো 'প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ' ও 'আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়' গান দু'টি। রবিঠাকুরের গানটির পরিবর্তে সে সময় শুনেছিলাম এগুলো জিয়ার প্রিয় গান বলে এগুলোই সর্বত্র গাওয়া হতো।

মনে পড়ছে, কোন একটি পাঠ্যবইতে বঙ্গবন্ধুর ছবি দিতে চেষ্টা করার সময় শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হিসেবে জিয়ার ছবিও যোগ করতে হয়েছিল। এখনও কি পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের শিক্ষাক্রম বিভাগের তৈরি পাঠ্যপুস্তকে সত্য ইতিহাস যুক্ত হয়েছে? হলে তো জামায়াতের যুদ্ধাপরাধী নেতাদের গণহত্যা, বুদ্ধিজীবী হত্যা, ধর্ষণ, দালালির ইতিহাস যুক্ত হতো। তা কি হয়েছে? চেষ্টা করেও বিফল হয়েছি। পাঠ্যপুস্তক বোর্ড তো পাহারা দিচ্ছে জামায়াত-বিএনপিপন্থী একটি দল।

৮. এ কথা না বললেই নয়, জিয়াউর রহমানই প্রথম মেধাবী ছাত্রদের হাতে রাইফেল, বন্দুক, অর্থ, মোটর সাইকেল তুলে দিয়ে তাদের দুর্বৃত্তে পরিণত করেছিলেন। ছাত্র রাজনীতিকে বড় দলের অংশে পরিণত করে রাজনীতিকে 'ডিফিকাল্ট' শুধু নয়, দুর্বৃত্তায়িত করেছিলেন। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত না দিয়ে, কর না দিয়ে কালো টাকার জন্মের সূচনাও করেছিলেন তিনি। আজ জাতি যত রকম সমস্যায় ভুগছে তার সবই শুরু হয়েছিল জিয়ার হাতে। জিয়া জাতিকে বিভক্ত করে ক্ষান্ত হয়নি, জাতিকে জামায়াতীকরণে, রাজনীতিকে দুর্বৃত্তায়িত করায়, বঙ্গবন্ধুর খুনীদের পুরস্কৃত করে, যুদ্ধাপরাধীদের ধনসম্পদের মালিক করে, সরকারে অংশীদার করে জঙ্গী-মৌলবাদের অনিঃশেষ এক উৎস তৈরি করে গেছেন; যার কলুষ থেকে জাতি এখনও মুক্তি লাভ করেনি।

তাই বলছি বঙ্গবন্ধু নয়, জিয়াই, পরে আপনি, তারেক জাতিকে বিভক্ত করে জাতির শত্রুদের পক্ষে কাজ করেছেন, শত্রুদের ক্ষমতাবান করেছেন।



__._,_.___

Posted by: Gonojagoron Moncho <projonmochottar@gmail.com>


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]





__,_._,___
Older Posts Home