Banner Advertise

Tuesday, October 2, 2012

[] Awami League men in the Cox's Bazar Communal violence!

Awami League men in the Cox's Bazar Communal violence!
Abid Bahar

It was reported that the perpetrators that caused the communal violence in Ramu Cox's Bazar are from the ruling party Awami League. It is important that Hasina arrest the culprits from both Muslim and Buddhist sides. True, if in the USA, they can arrest the man who made the video insulting the Prophet, why Hasina can't arrest Uttom Kumar Barua at lease to find out his role in this affair. But Hasina wouldn't touch the provocateur because it is her vote bank and the perpetrators are the AL people. Hasina is expected to do nothing.

The description (in Bengali) below the picture says the procession that led the destruction of Buddhist properties in Ramu, Chittagong "was initiated by Bangladesh's ruling party's Awami Fishery League's sub district vice president Ansarul Haque Bhutto. The procession was led by Student League (also the ruling party's student) leader Hafiz Mohamed and his brother. There was also a call for strike by this group. (This is contrary to the previous claim that Rohingyas from Arakan were involved in this attack.). Yesterday, the Home Mister confirmed this to the BBC that Rohingya involvement was not the claim of the government. While Hasina, the loose mouth can blame anybody, " fortunately BNP probe team poised  to move to Cox's Bazar Thursday."

While we strongly condemn the recent violence against the Buddhist minority, it is important to note that lately there has been a growing number of Bangladeshi tribal Buddhists aligned with the Arakanese engaged in Islamphobia. Facebook is loaded with anti Muslim activities with Mogh and Chakma names.

Although not surfaced yet, due to the persecution of Muslims in Arakan, there seems to be an ever present uneasiness with the Muslim- Rakhine Buddhist in this region. Also lately, instead of joining with the world community condemning the Myanmar genocide of the Rohingya, Hasina government helped Myanmar by supporting Myanmar's anti Rohingya stand. In this crisis, Dipu Moni was acting as if she was the foreign minister of Myanmar. Dipu Moni's man, Bangladesh's ambassador in Myanmar is a Chakma (Anup Chakma) who also supported the Rakhine genocide of the Rohingya Muslim.

It is not cute to be the neighbor of a refugee producing country. In addition to the above tip of the iceberg, it is important to know that many of the officers in the Na Sa Ka, the violent Rakhine border security men were originally Bangladeshi Chakmas and Rakhine Moghs working for Burma. An unofficial estimate shows about 30 thousand of Bangladesh tribal migrants from Bangladesh work in Arakan as the Arakanese officials engaged to evict Rohingya Muslims. Aye Maung, the leader of the RNDP who masterminded the June Rohingya massacre was a Bangladeshi by birth and Aye Chan, the anti Rohingya's mother was a Bangladeshi Buddhist. He calls the Rohingya as the Bengali " Influx Viruses."
 It is documented that the unrest in Chittagong Hill Tracts was also inspired by some innocent looking traveling political monks from Arakan. In the past Bangladesh government even detained some Arakanese traveling monks in Cox's Bazar carrying weapons. Arakanese armed separatist party called, the Arakan Liberation Party are deadly anti Muslim and supports the Rohingya extermination operates from Bandarbon district near Burma. They have an online newspaper and TV station operate from Dhaka Bangladesh called Narangera. I personally wish that Bangladeshi Buddhists should abstain themselves from Islamphobia hatred and the tribals whose ancestors originally arrived in Bangladesh from Arakan, should also stay neutral about the Rohingya Muslim extermination from Arakan.
It appears that this time, the violence in Cox's Bazar against the Bangladeshi Buddhist was by some unruly Awami Muslim folks. But in the absence of any concrete measures taken by the Myanmar government to recognize the Rohingya citizenship, the Arakanese racism problem against the Rohingya might eventually spill over to Bangladesh against its Buddhist population. This is exactly what Ban Ki Moon lately predicted and warned President Thein Sein.
 All in all to have control over the rising trend of Muslim-Buddhist tension in the region, it is imperative for Bangladesh government to understand the roots of racism and the refugee production trends of the region. It is historically known that Rakhines are master manipulators. During the medieval period in alliance with the Portuguese they devastated Bengal through piracy. It seems that this time Rakhines have hijacked the Burmese opinion against the Rohingya. The great historian Alamgir Serajuddin expresses rather bluntly the reasons behind the Arakan problem by saying, "The Arakanese [Rakhines] were a daring and turbulent people, a terror at once to themselves and to their neighbors. They fought among themselves and changed masters at will. Peace at home under a strong ruler signaled danger for neighbors." If Bangladesh fails to understand the Rakhine leadership's goal for a future Rakhine independent country with Chittagong Hill Tracts included, and Bangladesh fails to understand how to contain the predatory Rakhine racism in Arakan, its spill over in Bangladesh will be the price for its naivety and the price for its silence!

Farhad Mazhar on Cox's Bazar Communal violence
  • যারা বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ জনপদ আগুন দিয়ে পোড়ানোর নিন্দা করছেন ও প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাদের সঙ্গে বৃহত্তর ঐক্যের জন্য অবশ্যই সংহতি প্রকাশ জরুরি। যারা রাস্তায় প্রতিবাদ জানাতে নামছেন তাদের প্রতি তো অবশ্যই। কিন্তু প্রতিবাদ তো শুধু সাম্প্রদায়িকতা ও জাতিগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে নয়, একই সঙ্গে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধেও। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের রাজনীতির বিরোধিতা না করে যারা শুধু বিছিন্ন ভাবে সাম্প্রদায়িকতা ও জাতীয় নিপীড়নের প্রতিবাদ করছেন তাদের রাজনীতির সমালোচনা না করলে বৃহত্তর সংহতি ভুল দিকে আমাদের নিয়ে যাবে। ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতাবহির্ভূত -- রাজনীতির দুই প্রধান ধারাই জনগণের দুষমন।

    পরপর তিন দিন বৌদ্ধদের উপাসনালয় ও জনপদ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগ কিছুই জানে না, কিছুই তারা করতে পারে নি, এটা অবিশ্বাস্য। আমরা এখনও জানি না ক্ষমতাসীনদের এই নিষ্ঠুর ও অমানবিক রাজনৈতিক খেলা আদৌ বন্ধ হয়েছে কিনা। অথচ এর বিরুদ্ধে এক অক্ষর প্রতিবাদ না করে শুধু মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে রাস্তায় নামার অর্থ প্রকারান্তরে যারা এই তাণ্ডব ঘটিয়েছে তাদের পক্ষাবলম্বন করা। নীরবতার এই রাজনীতি আরও ভয়াবহ কারণ সাম্প্রদায়িকতা, জাতিগত নিপীড়ন ও মৌলবাদ বিরোধিতার আড়ালে এতে মূলত অপরাধীদেরই আড়াল করা হয়। পত্রিকায় খবর হচ্ছে প্রথম মিছিলটি বের হয় উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও রামু প্রেস ক্লাবের সভাপতি নূরুল ইসলাম সেলিম ও উপজেলা মৎস্যজীবী লীগ নেতা আনসারুল হক ভুট্টুর নেতৃত্বে। মিছিলটি রামুর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌমুহনী চত্বরে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়। এতে ঐ দুই আওয়ামী লীগ নেতা বক্তৃতা করেন। আজ প্রথম আলোর প্রতিবেদনে জঙ্গি রোহিঙ্গাদের সন্দেহ করা হচ্ছে শিরোনাম করে প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। অথচ তাদের মূল প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, "রাত সাড়ে নয়টার দিকে ছাত্রলীগের নেতা সাদ্দাম হোসেন ও মৌলভি হাসানের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন লোক মিছিল বের করে। মিছিল শেষে একটি সমাবেশ হয়। এতে রামু নাগরিক উন্নয়ন কমিটির সভাপতি ও ছাত্রলীগের সাবেক নেতা নুরুল ইসলাম ওরফে সেলিম ও মৎস্যজীবী লীগের নেতা আনসারুল হক বক্তব্য দেন। সমাবেশের খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজিবুল ইসলাম সেখানে যান। তিনিও বক্তব্য দেন। প্রথম আলো পুলিশের সন্দেহকে শিরোনাম করেছ অথচ প্রতিবেদনের তথ্যের সঙ্গে তার কোন মিল নাই।

    রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য প্রমাণ করবার জন্য কিছু রোহিঙ্গাকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। অথচ প্রথম আলো পুলিশের সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে জঙ্গি রোহিঙ্গারা যুক্ত আছে বলে নিজেরা যে-খবর ছেপেছে সেই রিপোর্টের ভেতরে রয়েছে ভিন্ন কথা। রিপোর্ট বলছে, "হামলার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাত পর্যন্ত ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি"। এর পর যানবাহনে করে শত শত লোক আসতে থাকে সেই বহরে আওয়ামি লিগ নেতারাও ছিলেন"। তাহলে রোহিঙ্গা এল কোত্থেকে? সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের যারা স্থানীয় মিত্র সেইসব গণমাধ্যমের ভূমিকার বিরুদ্ধে কোন প্রতিবাদ না জানিয়ে তাদেরই রাজনীতি বহন করে যে-প্রতিবাদ তার চেয়ে নিকৃষ্ট প্রহসন আর কিছুই হতে পারে না।

    আসুন, আমরা সঠিক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হই। আমাদের অসচেতনতা ও অজ্ঞতার কারনে আমরা যেন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির শিকারে পরিণত হয়ে বাংলাদেশকে ছারখার না করি।


[* Moderator�s Note - CHOTTALA is a non-profit, non-religious, non-political and non-discriminatory organization.

* Disclaimer: Any posting to the CHOTTALA are the opinion of the author. Authors of the messages to the CHOTTALA are responsible for the accuracy of their information and the conformance of their material with applicable copyright and other laws. Many people will read your post, and it will be archived for a very long time. The act of posting to the CHOTTALA indicates the subscriber's agreement to accept the adjudications of the moderator]

Your email settings: Individual Email|Traditional
Change settings via the Web (Yahoo! ID required)
Change settings via email: Switch delivery to Daily Digest | Switch to Fully Featured
Visit Your Group | Yahoo! Groups Terms of Use | Unsubscribe